বিশ্বনাথ প্রতিনিধি | ০৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হওয়া রোগীর ইনজুরি সার্টিফিকেটে ‘ব্লান্ট সিম্পল’ ইনজুরি লিখে দেওয়ায় ডা. তারেক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপরে বিশ্বনাথ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (টিএইচও) ডা. আব্দুর রহমানের নিকট এ অভিযোগ দেন উপজেলার দন্ডপানিপুর গ্রামের মৃত রোয়াব আলীর ছেলে হতদরিদ্র বশির মিয়া।
এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও ডা. তারেক নুরুল ইসলাম কল রিসিভ করেননি।
তবে সম্পূর্ন বিষয়টি স্বীকার করে ‘টিএইচও’ ডা. আব্দুর রহমান বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্ত চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৭ আগস্ট একই গ্রামের প্রতিপক্ষ মফিক মিয়ার হামলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাথায় আঘাত পেয়ে গুরুতর আহত হন বশির। ওই দিন উপজেলার কাদিপুরস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ভর্তি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. তারেক নুরুল ইসলাম মাথায় সেলাইসহ ব্যান্ডেজ করেন। একদিন পর তিনি ছাড়পত্র নিয়ে হাসপাতাল ত্যাগ করেন (রেজি নং-রুল ১/২)। পরে ৯ আগস্ট বশির মিয়া প্রতিপক্ষকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেন, (মামলা নং বিশ্বনাথ জিআর ১৭৬/১৮ইং )।
মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নবী হোসেনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১ সেপ্টেম্বর শনিবার ডা. তারেক নুরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ইনজুরি সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়। আর ওই ইনজুরি সার্টিফিকেটে ‘ব্লান্ট সিম্পল’ ইনজুরি লিখে দেওয়া হয়।
১ সেপ্টেম্বর বিকেলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার নিকট থেকে সার্টিফিকেটের ধরণ জানতে পেরে বশির মিয়া স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ‘টিএইচও’র নিকট গিয়ে মৌখিক অভিযোগ করেন। তার অভিযোগের প্রেক্ষিতে হাসপাতালে রোগী ভর্তির রেজিস্টার খাতাটিতে ওভাররাইটিং পেয়ে টিএইচও মোবাইলে ছবি তোলেন এবং রোগী ভর্তি খাতাটি জব্দ করেন।