সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
ফাইল ছবি
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার দেখার হাওরে বোরো ফসলরক্ষার নামে অপ্রয়োজনীয় বাঁধ নির্মাণে কোটি টাকা অপচয় করার অভিযোগে সুনামগঞ্জ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে দায়ের করা মামলাটি দুনীতি দমন কমিশন (দুদক) এর প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জ সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এই আদেশ দিয়েছেন
প্রসঙ্গত, ২ আগস্ট আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের জলালপুর গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে কৃষক মো. আজাদ মিয়া।
মামলার আসামিরা হলেন, মোল্লাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল সিদ্দিকি ও সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান।
মামলাটি দুদক প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী প্রদীপ কুমার নাগ। তিনি জানিয়েছেন, আদালত ২ আগস্ট বাদীর পিটিশনটি গ্রহণ করেন এবং বাদীর জবানবন্দী গ্রহণ করেছেন। যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য মঙ্গলবার আদেশ দিয়েছেন।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে সদর উপজেলার দেখার হাওরের বোরো ফসলরক্ষার নামে মোল্লাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক, সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আশরাফুল সিদ্দিকি ও সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আতিকুর রহমান হাওরপাড়ের কৃষকদের সাথে আলোচনা না করে ৬টি উপপ্রকল্প গ্রহণ করেন। ৬টি প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় ১ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। প্রতিটি প্রকল্প (হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধ) মহাসিং নদীর পূর্ব তীরে নির্মাণ করার কথা থাকলেও প্রত্যেকটি প্রকল্প নদী ৩ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে নির্মাণ করা হয়। ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল হক মৎস্য খামার স্থাপনের উদ্দেশ্যে মহাসিং নদীর তীর থেকে অনেক দূরে বাঁধ নির্মাণ করেন।