সিলেটটুডে ডেস্ক | ১৪ অক্টোবর, ২০১৮
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো সিলেট বিভাগীয় যুগ্ম পরিচালক এস.এম আনিসুজ্জামান বলেছেন, জাতীয় তথ্য ভাণ্ডার তৈরিতে খানা তথ্য ভাণ্ডার শুমারি এক বিরাট মাইলফলক। দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়ন অগ্রগতি সম্পর্কে সম্যক ধারণাসহ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়নে এ শুমারি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। সরকারের সেবাসমূহ জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে এটি একটি নির্ভরযোগ্য উৎস। জনগণের কল্যাণে নিবেদিত সরকারের এ উদ্যোগকে বাস্তবায়ন করতে দেশের জনগণকে উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করতে হবে। এর মাধ্যমে দেশের প্রায় ৩ কোটি ৬০ লক্ষ খানা হতে সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে খানার গৃহের ধরণ, খানার সম্পদের পরিমাণ, খানার মালিকানাধীন জমির পরিমাণ, খানার সদস্যগণের শিক্ষার স্তর, সদস্যগণের পেশার ধরণ, খানা কর্তৃক ব্যবহৃত টয়লেটের ধরণ/মান ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
রোববার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট জেলা অফিস প্রাঙ্গণে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
আনিসুজ্জামান বলেন, খানা তথ্য ভাণ্ডার শুমারি ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে রাজশাহী, খুলনা এবং সিলেট বিভাগের সকল জেলায় শুরু হয়েছে। সরকারের এ কর্মসূচিকে বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটির সভা, জেলা পর্যায়ে র্যালির আয়োজন, জুম্মার নামাজের খুতবার পূর্বে মুসল্লিদের তথ্য প্রদানে অনুরোধ, তথ্য অফিসের মাধ্যমে প্রচার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচার, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া প্রচার এবং বাংলাদেশ বেতার সিলেটের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারসহ মাইকিং, সর্বত্র লিফলেট, পোস্টার ব্যানার টানানো হয়েছে।
তিনি বলেন, সিলেট বিভাগে এই খানা তথ্য ভাণ্ডার শুমারিতে একজন বিভাগীয় সমন্বয়কারী, ১০ জন জেলা সমন্বয়কারী, ৪০ জন উপজেলা সমন্বয়কারী, ৩৪৫ জন জোনাল অফিসার, ১ হাজার ৮২০ জন সুপারভাইজার ও ১০ হাজার ২শ’ ৭ জন তথ্য সংগ্রহকারী কাজ করছেন। ইতিমধ্যে বিভাগের প্রায় ৯০ শতাংশ তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। অবশিষ্ট শুমারি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের উন্নয়ন, অগ্রগতির প্রতিফলনসহ সরকারের আগামীর কর্মসূচি বাস্তবায়নে এ খানা তথ্য ভাণ্ডার শুমারিতে নির্ভুল ও সঠিক তথ্য দিয়ে দেশের নাগরিকগণকে নাগরিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। একটি নির্ভুল তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তুলতে খানা তথ্য ভাণ্ডার শুমারির কোন বিকল্প নেই।