নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ অক্টোবর, ২০১৮
সিলেট-১ ও সিলেট-৩ আসনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়ে এবার আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় নেমেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ।
মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে নিয়ে যোহর নামাজ শেষে হযরত শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করে প্রচারণায় নেমে তিনি বলেন, পুণ্যভূমিতে আমার জন্ম। আমি এই মাটির সন্তান। দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে রাজনীতি করে যাচ্ছি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের কাছে মনোনয়ন চাইবো। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে নির্বাচন করবো। আমাকে তৃণমূল থেকে সম্মানিত করে কেন্দ্রীয় নেতা বানিয়েছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। আশাকরি তিনি আমাকে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করবেন না।
এসময় মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত একমাস ধরে নৌকার পক্ষে সারা দেশে প্রচারণা করে যাচ্ছেন। আজ থেকে সিলেটে আওয়ামী লীগের প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে প্রচারণা শুরু করেছি জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা গত ১০ বছর ধরে সারা দেশে যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছেন, তা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে আমরা নৌকার পক্ষে প্রচারণায় সাধারণ মানুষের কাছে যাচ্ছি।
সিলেটে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তৎকালীন সময়ে ব্যর্থ ব্যক্তি যারা বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা এবং জাতির সঙ্গে বেঈমানী করেছেন, তারাই বিগত দিনে বোমা ও গ্রেনেড হামলাকারীদের নিয়ে জোটবদ্ধ হয়ে সিলেটে সমাবেশে আসছেন। এরআগে কখনো তারা সিলেটের মানুষের কাছে আসেননি। আমরা তাদের ধিক্কার জানাই।
সিলেট রেজিস্ট্রারী মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশস্থলের পাশাপাশি সিটি পয়েন্টে আওয়ামী লীগের কর্মসূচী দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ থাকলেও তাদের কর্মসূচীর কারণে সংঘাতময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রচারণার অংশ হিসেবেই বুধবার কোর্ট পয়েন্ট ও সিটি পয়েন্টে সরকারের ১০ বছরের উন্নয়নের লিফলেট বিতরণ করা হবে। এখন থেকে শুরু করা প্রচারণা উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়েও চলবে বলেন তিনি।
এসময় বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী।
নেতৃবৃন্দের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান, মহানগর সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট রাজ উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালিক, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের মধ্যে হুমায়ুন ইসলাম কামাল, জুবের খান, অ্যাডভোকেট শামসুল ইসলাম, তপন মিত্র, সাবেক কাউন্সিলর জগদীশ দাস, অ্যাডভোকেট ফারুক আহমদ, অ্যাডভোকেট খোকন দত্ত, অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, এমাদ উদ্দিন মানিক, মোস্তাক আহমদ পলাশ, অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিরাজী, আব্দুল বাসিত টুটুল, ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ডা. নাজরা চৌধুরী, আইনজীবী নেতৃবৃন্দের মধ্যে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সামিউল আলম, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল কুদ্দুস, জজকোর্টের জিপি অ্যাডভোকেট খাদিমুল মিল্লাত জালাল, অ্যাডভোকেট রুহুল হুদা, অ্যাডভোকেট হুসেন আহমদ, সিলেট ল’ কলেজের সাবেক ভিপি অ্যাডভোকেট মোস্তফা শাহীন চৌধুরী, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহিদ, জগন্নাথপুর পৌর মেয়র আব্দুল মনাফ, ছাতক পৌর মেয়র আবুল কালাম চৌধুরী, গোলাপগঞ্জ পৌর মেয়র রাবেল আহমদ, সিলেট সিটি কাউন্সিলর আজম খান, মখলিছুর রহমান কামরান, আকবর হোসেন খান, তারেক উদ্দিন তাজ, রকিবুল ইসলাম ঝলক, বিক্রম কর সম্রাট, জেলা পরিষদ সদস্য এজেড জেবিন রুবা, নুরুল ইসলাম ইছন, মোহাম্মদ শাহনূর, লোকন মিয়া, সোয়েদ আহমদ, আলমাস আহমদ, হাসিনা বেগম, হেনা বেগম, সাজনা সুলতানা চৌধুরী, মোগলাবাজার ইউপি চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম শায়েস্তা, কলেজ শিক্ষক সমিতি নেতা অধ্যাপক ফয়েজ আহমদ বাবর, অধ্যাপক কাশ্মির রেজা, জেলা কৃষক লীগের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম, কৃষক লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম, আঙ্গুর মিয়া, জাতীয় শ্রমিক লীগের সিলেট মহানগর সভাপতি এম শাহরিয়ার কবির সেলিম, জেলা সাধারণ সম্পাদক শামীম রশিদ চৌধুরী, মকবুল হোসেন খান, জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামীম আহমদ, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসীন কামরান, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জুয়েল আহমদ, মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সুদীপ দে, বর্তমান যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ, সাবেক যুবলীগ নেতা এমএ হান্নান, সিলেট জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফছর আজিজ, মহানগর সভাপতি আফতাব হোসেন খান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম, মহানগর সহ-সভাপতি পিযুষ কান্তি দে, জেলার সহ-সভাপতি মুহিব উস সালাম রিজভী, জি কে মাসুক, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাস অনিক, একেএম মাহমুদুল হাসান সানি, মহানগর কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মিফতাহুল হোসেন লিমন প্রমুখ।