নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ অক্টোবর, ২০১৮
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দায়িত্ব, সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মশালা করেছে সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, ইউকে। রবিবার সকাল ১১টায় উপশহরস্থ হোটেল গার্ডেন ইন মিলনায়তনে কর্মশালা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সব সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, সামাজিক,সাংস্কৃতিক, গনমাধ্যমের কর্মীরা অংশগ্রহন করেন। সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, ইউকে বিভাগীয় পর্যায়ে পঞ্চম আয়োজন ছিল সিলেটের এই অনুষ্ঠান।
কর্মশালায় দলগত কাজে নির্বাচনকালীন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা ও সমাধানের প্রক্রিয়া উঠে আসে। এছাড়াও নির্বাচনের আগে ও পরে আদিবাসিদের বিভিন্ন সমস্যার কথাও বলেন কর্মশালায় অংশগ্রহনকারী আদিবাসী প্রতিনিধিরা।
নির্বাচনকালীন শঙ্কা, সমস্যাগুলো মোকাবেলা ও সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, ইউকে এবং সরকার কাছে দাবী লিখিত আকারে উত্তাপন করা হয়। কর্মশালার এক পর্যায়ে অংশগ্রহনকারী সবাই হাতে হাত ধারে জাতীয় সঙ্গিত পরিবেশন করেন এবং শপথ বাক্য পাঠ করেন। নির্বাচনকালীন বিভিন্ন শঙ্কার কথা উপস্থাপন করেন মিলন ওড়াও, ইন্দ্রানী সেন, দেবদ্রত রায় দিপন, লক্ষি কান্ত সিংহ, বিমান কর্মকার,ডা. বীরেন্দ্র চন্দ্র দেব প্রমুখ।
সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, ইউকের সভাপতি পুস্পিতা গুপ্ত ও বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট শাখার সাধারন সম্পাদক আব্দুল করিম কিমের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সুব্রত চক্রবর্তী জুয়েল, আইনজীবী সুপ্রিয় চক্রবর্তী, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহকারি অধ্যাপক মো. এমদাদুল হক, বন্ধু প্রিতম ব্রহ্মচারী, ইমজার সভাপতি আশরাফুল কবির, জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতা জাফর আহমেদ, হিন্দু, বুদ্ধ,খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় ধর ভোলা, সম্মিরিত নাট্য পরিষদ সিলেটের সাধানর সম্পাদক রজত কান্তি গুপ্ত। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, ইউকের বাংলাদেশ প্রতিনিধি এটিএম রাশেদুল ইসলাম কর্মশালা পরিচালনা করেন।
সেক্যুলার বাংলাদেশ মুভমেন্ট, ইউকের সভাপতি পুস্পিতা গুপ্ত বলেন, এই কর্মশালার মূল লক্ষ্য হলো সবার একতা। সকল সম্প্রদায়ের একত্রতা থাকলে শুধু নির্বাচনে নয় সকল সময় সকল সমস্যা মোকাবেলা করা যাবে। সকলের কাছ থেকে পাওয়া নিবার্চনকালীন শঙ্কাগুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছানো হবে বলে জানান তিনি।