নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ জুলাই, ২০১৫
শিশু সামিউল আলম রাজনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় রুহুল আমিন নামে আরো একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রুহুল আমিন শিশু রাজন হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত আসামী আলী হায়দারের শ্যালক। রুহুলের বিরুদ্ধে রাজনের বাবাকে মামলা না করতে ভয়-ভীতি দেখানো ও রাজনের মরদেহ গুম করতে সহযোগিতা করার অভিযোগ রয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
শনিবার দুপুরে শহরতলীর টুকের বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
জালালাবাদ থানার ওসি আখতার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শুক্রবার একই মামলায় সৌদি আরব গ্রেফতার হওয়া আসামি কামরুলের বড় ভাই আলী হায়দারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ নিয়ে রাজনকে নির্যাতন ও হত্যায় জড়িত তাদের চার ভাইয়ের মধ্যে তিনজনকেই গ্রেফতার করা হয়। তাদের আরেক ভাই শামীম এখনও পলাতক রয়েছে।
গত বুধবার রাজনকে নির্যাতনের সময় ‘মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণকারী’ নূর মিয়া ও দুলাল মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত সাতদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ৮ জুলাই সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত নির্যাতন করে শিশু রাজনকে হত্যা করা হয়। এরপর দুপুর ১টার দিকে মাইক্রোবাসে তার মৃতদেহ গুম করার চেষ্টাকালে নগরীর কুমারগাঁও এলাকায় গাড়িসহ মুহিতকে আটক করে এলাকাবাসী।
পরে রাজনের বাবা গাড়িচালক আজিজুর রহমান ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ছেলের মৃতদেহ শনাক্ত করেন। মৃতদেহের শরীরে ৬৪টি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় করা মামলার আসামি মুহিতের ভাই কামরুল সৌদি আরবে পালিয়ে যাওয়ার পর সেখানে আটক হন। এছাড়া মুহিতের স্ত্রী লিপি বেগম ও দুই প্রত্যক্ষদর্শীসহ এখন পর্যন্ত এ মামলায় ১১ জনকে গ্রেফতার করা হলো।