জৈন্তাপুর প্রতিনিধি | ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৮
এবারের জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষায় জৈন্তাপুর উপজেলার ২১টি প্রতিষ্ঠান হতে ২৩৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২০৮৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১২জন পরীক্ষার্থী। উপজেলার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানিকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিম্ন মাধ্যমিক শাখা হতে ১টি জিপিএ-৫ সহ শতভাগ ফলাফল অর্জন করে। উপজেলায় পাশের হার ৮৮.৭১% যা গত ২০১৭ সনের তুলনায় ৮% কম।
অপরদিকে পিইসিতে উপজেলার ১১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে ৩০০৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৯৬৯ জন শিক্ষার্থী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭০জন পরীক্ষার্থী। উপজেলায় ৮৯টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ ফলাফল অর্জন করে। তবে প্রাথমিকে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। উপজেলায় পাশের হার ৯৮.৮০%।
ফলাফল বিশ্লেষণে উপজেলার সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থায় বিগত বৎসর গুলোর তুলনায় এবার প্রাথমিকে পাশের হার কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও কমেছে জেএসসি ও জেডিসিতে পাশের হার বিগত ২০১৭ সনের চেয়ে ৮% কম।
২০১৫ সালে পিইসি সমমান পরীক্ষায় জৈন্তাপুর উপজেলায় ১৫৫টি জিপিএ-৫ পেয়েছিল শিশু শিক্ষার্থীরা। মাধ্যমিক স্তরে এসে ৩বৎসরে জিপিএ-৫ এর হার ১৫৫ থেকে হ্রাস পেয়ে ১২ এসে দাঁড়িয়েছে।
স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক পরিচালনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিস সমূহ শিক্ষার গুনগত মান বৃদ্ধির দাবী করলেও অভিভাবকরা পরীক্ষার ফলাফল যাচাই করে তা মানতে রাজি নন।
অভিভাবকরা জানান- ৩বৎসর পূর্বে যেখানে পিইসিতে ১৫৫ টি জিপিএ-৫ ছিল, ৩বৎসর পর তা বৃদ্ধি না হয়ে ১২টিতে এসে দাঁড়িয়েছে আগামী ২বৎসর পর জিপিএ-৫ শূন্যের (০) কোঠায় দাঁড়াবে বলে আশংকা প্রকাশ করছেনে।
তারা আরও জানান দুটি স্তরে ন্যাশনাল সার্ভিস এর মাধ্যমে সরকার শিক্ষক স্বল্পতা দূর করার লক্ষে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৪ জনের অধিক সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার পরও শিক্ষা ব্যবস্থার এমন পরিস্থিতিতে আমরা চিন্তিত।