নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৫ জুলাই, ২০১৫
সিলেটে শিশু শেখ মো. সামিউল আলম ওরফে রাজনকে নির্যাতন ও হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া আয়াজ আলীর (৪৫) ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। শনিবার বিকেলে সিলেট মহানগর হাকিম আদারত ২ এর বিচারক সাহেদুল করিম ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর সুরঞ্জিত তালুকদার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।
এরআগে শুক্রবার রাত দুইটার দিকে সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্টেশনের শেখপাড়া থেকে আয়াজ আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি পেশায় রং মিস্ত্রি। তিনি রাজনকে নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী বলে দাবি করেছে ডিবি।
এ নিয়ে এই ঘটনায় ১২ জন গ্রেপ্তার হলেন।
আয়াজের স্ত্রী রাশেদা আক্তার বলেন, রাজন হত্যার কিছু দিন আগে মামলার প্রধান আসামি মুহিত আলম তাঁদের এক ছেলেকে মারধর করেন। বিষয়টি সম্প্রতি একটি টেলিভিশনের সাক্ষাৎকারে আসে। এ নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে রাতে তাঁর স্বামীকে নিয়ে যায় ডিবি।
এলাকার কয়েকজনের ভাষ্য, রাজনকে নির্যাতনের ঘটনা শুরুর দিকে প্রত্যক্ষ করেন আয়াজ। পরে তিনি সেখান থেকে সরে যান। পরবর্তী সময়ে রাজনকে নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে স্থানীয় জনতার সঙ্গে প্রতিবাদে যোগ দেন তিনি।
কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ৮ জুলাই খুঁটির সঙ্গে রাজনকে বেঁধে রোলার দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। নির্যাতনকারীরাই রাজনকে নির্যাতনের ভিডিওচিত্র ধারণ করে।
ঘটনার সঙ্গে ‘সরাসরি জড়িত’ আটজনকে আটক করে পুলিশে দেয় জনতা। এ ছাড়া ঘটনা ‘প্রত্যক্ষ’ করা আয়াজসহ তিনজন ও এক আসামির স্ত্রীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ঘটনার পর পালিয়ে সৌদি আরব গিয়ে ধরা পড়েন কামরুল ইসলাম নামের একজন।