ডেস্ক রিপোর্ট | ০১ আগস্ট, ২০১৫
বারহাল ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরীর বিরুদ্ধে সরকারী গাছ কেটে বিক্রির ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন এলাকার বিশিষ্টজন, ইউপি সদস্যবৃন্দ, সচেতন নাগরিক মহল এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।
বিবৃতিদাতারা হলেন, এড্ভোকেট লোকমান আহমদ চৌধুরী, কবি সিদ্দিক আহমদ, সাংবাদিক সাইফুর রহমান, ব্যবসায়ী ফয়জুল ইসলাম চৌধুরী, ইউপি সদস্য মাহতাব উদ্দিন চুনু মিয়া, আতাউর রহমান চৌধুরী, মানিকুর রহমান, আব্দুল আহাদ চৌধুরী, খসরুল হক, ফারুক আহমদ, মহিলা সদস্য রহিমা বেগম, জকিগঞ্জ উপজেলা প্রজন্মলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক এবং বারহাল ইউপি প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক পারভেজ আহমদ প্রমুখ এবং দিগন্ত বারহাল, শরিফাবাদ সমাজ কল্যাণ সংস্থা, পরচক ফেন্ডশীফ ক্লাব। তাঁরা বলেন, গাছ কর্তৃক বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্থ হলে সকল ইউপি সদস্য ও বিশিষ্ট নাগরিকদের মতামতের প্রেক্ষিতে ৩ টি ছোট রেইনট্রি ও ১টি শিমুল গাছ প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি করা হয় এবং এই গাছ বিক্রির টাকা ইউনিয়ন পরিষদের সৌন্দর্য বর্ধনের কাজে ব্যয় করা হয়।
মোস্তাক আহমদ চৌধুরী ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে দীর্ঘদিন থেকে অবৈধ দখলে থাকা ইউনিয়ন পরিষদের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে ইউনিয়ন পরিষদের জায়গা উদ্ধার করেন এবং দেয়াল ও গেইট নির্মাণ করে ইউনিয়নের সৌন্দর্য রক্ষায় সচেষ্ট হন। তিনি পুনরায় চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে বারহাল ইউনিয়নকে একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে প্রতিষ্টিত করার এবং ইউনিয়ন কমপ্লেক্স নির্মাণের আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি তাঁর সততা, যোগ্যতা এবং উন্নয়ন কর্মকান্ডের মাধ্যমে ইতোমধ্যে এলাকার মানুষের আস্থা অর্জন করতে ও সুনাম অর্জনে সক্ষম হন।
চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী বলেন, যারা তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচারে লিপ্ত সেই সকল ষড়যন্ত্রকারী, উন্নয়নবিদ্বেষী ও কুচক্রীমহলের ব্যাপারে সজাগ থাকার জন্য এলাকার সর্বস্তরের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান এবং কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বারহালের উন্নয়ন ব্যাহত করতে পারবে না।