হবিগঞ্জ প্রতিনিধি | ০৫ মার্চ, ২০১৯
হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরিগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খানকে ভোট প্রদান ছাড়া বানিয়াচং উপজেলা নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনায় অংশ না নেয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দিয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসার মুহাম্মদ নাজিমুদ্দিন।
বানিয়াচং উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন খানের অভিযোগর প্রেক্ষিতে সোমবার এ চিঠি দেয়া হয়।
ইকবাল হোসেন খান বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় সম্প্রতি দলের বর্ধিত সভায় তাকে দল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
রিটার্নিং অফিসার ও জেলা নির্বাচন অফিসার চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘উপজেলা পরিষদ (নির্বাচন আচরণ) বিধির ২০১৬ এর ২২(১) অনুসারে সরকারি সুবিধাভোগী গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে নির্বাচন-পূর্ব সময়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রচারণা ও নির্বাচন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারেন না। আবেদনকারীর দাবি অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য হিসেবে আপনি একজন প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন যা নির্বাচন বিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন।’
উল্লিখিত বিধি প্রতিপালনের লক্ষ্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আবদুল মজিদ খানকে ভোট দেয়া ছাড়া বানিয়াচং উপজেলায় অবস্থান, নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। চিঠিতে নির্বাচনী পরিবেশ সুষ্ঠু রাখার স্বার্থে সহযোগিতা করার জন্য তাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে রোববার জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং অফিসারের বরাবরে পাঠানো এক অভিযোগপত্রে ইকবাল হোসেন খান জানান, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আচরণবিধি অনুযায়ী একজন সংসদ সদস্য সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি মারকুলি বাজারে আওয়ামী লীগ আয়োজিত নৌকা মার্কার এক প্রচারণা সভায় এবং গত ২৮ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে যুবলীগের বর্ধিত সভায় মজিদ খান এমপি নৌকা প্রতীককে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। যা নির্বাচনী প্রচারাভিযানের ৩, ২২ ধারার পরিপন্থী।
এ প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ খান বলেন, নৌকার পক্ষে দলীয় সভায় কথা বলতেই পারি।