নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৩ আগস্ট, ২০১৫
হাসপাতালে ছেলের মৃত মুখ দেখছেন বাবা। আজ ছেলে হত্যা দায়ে মামলা দায়ের করেন তিনি
সিলেট নগরীর মদনমোহন কলেজে ছাত্রলীগকর্মী আব্দুল আলী হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রণোজিৎসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রণোজিৎকে প্রধান আসামী করা হয়েছে।
আজ দুপুর দেড়টায় আবদুল আলীর বাবা আলখাছ মিয়া বাদি হয়ে এ হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল আহমদ।
এজহারে আলখাছ মিয়া ৫ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। তারা হচ্ছেন সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার দায়মীর থানাগাঁওয়ের চিত্তরঞ্জনের পুত্র প্রণোজিৎ দাশ, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের হারুনুর রশিদের পুত্র মো. আঙ্গুর মিয়া, নগরীর কাজলশাহ এলাকার রাজিব, কলাপাড়ার মাসুদ ও তাকছির। এছাড়াও ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় আটককৃত প্রণজিৎ ও আঙ্গুরকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। এছাড়া রাহুল কান্তি দেব বসু নামে আরেকজনকেও বুধবার আটক করেপুলিশ। তবে আলীর বাবার দায়ের করা মামলায় তাকে আসামী করা হয়নি।
কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহমদ জানান, প্রণজিৎ ও আঙ্গুরের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে আবদুল আলীকে ছুরিকাঘাত করে প্রণজিৎ দাশসহ আরও ৪/৫ জন ছাত্রলীগকর্মী। এতে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।