নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ আগস্ট, ২০১৫
সিলেট শহরতলীর ঘোপালে শিশু শ্রমিক মোঃ আকমল হোসেন (১১) হত্যা মামলাটি আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (আমলী-২) আদালতে নথি উঠবে। এর মধ্যে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তারিখ ধার্য্য রয়েছে বলে জালালাবাদ থানার জিআরও (জেনারেল রেজিস্ট্রার) এএসআই ফয়েজ জানিয়েছেন।
এ ঘটনার ৩ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি । তবে পুলিশ জানিয়েছে আসামীদের গ্রেফতারের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
আকলমের পিতা এখলাছ মিয়া অভিযোগ করে জানান, আকমলের মোবাইলের মেমোরিকার্ড রেখে দিয়েছে মালিক পক্ষ। তিনি তার ছেলে হত্যার বিচার চান।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আক্তার হোসেন জানান, মামলার তদন্ত চলছে। আসামীরা বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছে। তবে তাদেরকে গ্রেফতারের জন্য সব স্থানে অভিযান চলছে বলে জানান তিনি।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গত ২০ আগষ্ট বিকেল সোয়া ৪ টার দিকে ঘোপালস্থ ফুড মার্ক ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীর মালিক হাজী মোঃ ওহাব আলী ও ফ্যাক্টরীর কারিগর আব্দুর রহমানসহ ৫/৬ শ্রমিক মোঃ আকমল হোসেনকে শৌচাগারে নিয়ে ওয়ালের সাথে সেট করে ব্যাপক মারধর করে ইটের আদলা দিয়ে মাথা তেঁতলে দিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের। এরপর আকমলের প্রচুর রক্তপাত হলে দ্রুত তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ অভিযোগে নিহত আকমলের পিতা এখলাছ মিয়া বাদী হয়ে ২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৫/৬ জনকে আসামী করে এসএমপির জালালাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
নিহত আকলম হোসেন সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার থানার পাহাড়পুর (পূর্ব রাজনপুর) গ্রামে বাড়ি। সে ঘোপালস্থ ফুড মার্ক ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীর ১৩শ’ টাকা বেতনে চাকুরী করতো। তার ৪ ভাই ও ২ বোন। ভাইদের মধ্যে আকমল তৃতীয়।