নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৮ আগস্ট, ২০১৯
দেশের শীর্ষ রন্ধনবিষয়ক প্রতিযোগিতা ‘রূপচাঁদা সুপার শেফ’ ষষ্ঠ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন সিলেট জকিগঞ্জ উপজেলার কসকনকপুর গ্রামের তাপাদার মো. কোহেল।
মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টায় প্রতিযোগিতার শেষ পর্বে চ্যানেল আই এ সম্পাদিত তিনজন প্রতিযোগীর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন কোহেল।
জানা যায় প্রতিযোগিতা দ্বিতীয় হয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার কানিজ ফাতেমা সুহাগী, তৃতীয় হয়েছেন সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার মেয়ে চ্যানেল এস ইউকের নিউজ প্রেজেন্টার রোহেনা সুলতানা দিপু
এই প্রতিযোগিতার বাচাই পর্বে রান্না ভালো না হওয়ার কারণে নিজ জেলা সিলেট থেকে বাদ পরেন কোহেল। তারপরও আত্মবিশ্বাস হারাননি তিনি। ঢাকায় আবারো বাচাই পর্বে অংশগ্রহণ করে এক মাস পরিশ্রম শেষে জিতে যান রূপচাঁদা সুপার শেফ ২০১৯।
এই প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলার প্রায় দেড় হাজার রন্ধনশিল্পী অংশ গ্রহণ করেন। সারা দেশ থেকে বাঘা বাঘা রন্ধনশিল্পীর অংশ গ্রহণে বাছাই পর্ব শুরু হলেও অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে মূল পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান মাত্র বিশজন প্রতিযোগী।
এরপরে চ্যানেল আই'য়ে প্রচারিত রিয়েলিটি শো'তে এক এক করে প্রতিনিয়ত প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হন দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য সব রন্ধনশিল্পীদের দেওয়া নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জিং রেসিপির।
ফাইনাল পর্বে আসতে দেশি, ইন্ডিয়ান, থাই, চাইনিজ, এরাবিয়ান, ইউরোপীয়ানসহ বিভিন্ন বিদেশী ফিউশন খাবারের পসরা নিয়ে এ চ্যালেঞ্জিং প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন কোহেল তাপাদার।
কোহেল বর্তমানে রাজধানী ঢাকার গুলশানের হোটেল সিক্স সিজনে কর্মরত আছেন। রন্ধনশিল্পকে ভালোবেসে রন্ধনচর্চা শুরু করেন প্রায় একযুগ আগে।
ভবিষ্যতে রন্ধনজগতে আরো নতুনত্ব আনার ও নতুন নতুন রন্ধনশিল্পী তৈরি করে বিশ্বের বুকে রন্ধনশিল্পীর দেশ বাংলাদেশ পরিচয় করিয়ে তুলতে চান দেশ সেরা রন্ধন শিল্পী কোয়েল তাপাদার।
কোহেল তাপাদার জানান, রূপচাঁদা সুপার শেফ এমন একটি প্লাটফর্ম যেখানে গ্রাম তথা প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে উঠে আসা হাজারও রন্ধন শিল্পীর লালিত স্বপ্ন কিংবা নিজের ভিতর থাকা প্রতিভা প্রকাশের মাধ্যম। আর এমন একটি প্লাটফর্মে এসে নিজের যোগ্যতাকে প্রমাণ করতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।
অনুষ্ঠান শেষে চ্যাম্পিয়নকে প্রদান করা হয় রূপচাঁদার পক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা ও চ্যাম্পিয়নশিপ ক্রেস্ট ,দ্বিতীয় পুরস্কার তিন লক্ষ টাকা ও ক্রেস্ট, তৃতীয় পুরস্কার দুই লক্ষ টাকা ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।