নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৩ জানুয়ারী, ২০১৫
দগ্ধ নিরঞ্জন ও আলহাসান
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাতে সিলেটের দক্ষিন সুরমা উপজেলার তেতলী বদিকোনা এলাকায় পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে ট্রাকে আগুন দিয়েছিলো অবরোধকারীরা। এসময় চালক নিয়ন্ত্রন হারিয়ে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজিকে ধাক্কা দিলে নিহত হন সিএনজি চালক শাহাজাহান মিয়া । পেট্রাল বোমায় অগ্নিদগ্ধ হন ট্রাকচালক কুমেন দাশ ও সহকারী নিরঞ্জন সিংহ। তাদের সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । এর মধ্যে কুমেন দাশের বাড়ি দিরাইয়ে, তিনি থাকেন জাফলং মামার দোকানে । তাঁর অবস্থা আশঙ্কামুক্ত হলেও সঙ্গী নিরঞ্জন সিংহের শরীরের প্রায় সত্তর ভাগ পুড়ে গেছে। নিরঞ্জনের বাড়ী মৌলবীবাজারের কমলগঞ্জের ঘোড়ামারা গ্রামে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক । তাঁকে বাঁচাতে বড় ধরনের সহায়তার দরকার । সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজে অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসার উন্নত ব্যবস্থা না থাকায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেলের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করার জরুরী হয়ে পড়েছে ।
একই ঘটনায় নিহত হওয়া সিএনজি চালক শাহাজাহান মিয়ার লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
লামাকাজীতে ট্রাকে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপের আপডেট
আপর দিকে এর এর আগে লামাকাজী এলাকায় ট্রাকে পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করলে দগ্ধ হন চালক আল আমিন ও তার ভাই আল হাসান। আল হাসানের শরীরের প্রায় পঞ্চাশ ভাগ পুড়ে গেছে বলে জানান চালক আল আমিন। তাদের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করা হয়েছে। আল হাসানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক । ডাক্তাররা জানিয়েছেন ৫০ ভাগ পুড়ে যাওয়া রোগীর অবস্থা সংকটমুক্ত বলার উপায় নেই কাজেই আল হাসানও জীবন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন ।