নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
আওয়ামী লীগ সরকার বরেণ্য অনেক ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সিলেট রেজিস্ট্রারি মাঠে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
তবে কোনো বরেণ্য ব্যক্তিকে ফাঁসি দেওয়া হয় এ ব্যাপারে বক্তৃতায় কিছু বলেননি মির্জা ফখরুল।
টানা তিনবার ক্ষমতাসীন হওয়া আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে প্রথমবার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই একাত্তরের মনাবতাবিরোধী অপরাধীদের বিচার কাজ শুরু করে। বিচারে দণ্ডিত হয়ে বিএনপির জোটসঙ্গী জামায়াত ইসলামের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতার ফাঁসি কার্যকর হয়। যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীরও ফাঁসি হয়।
যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুতে বরাবরই কৌশলি অবস্থান নিয়ে আসছে বিএনপি। সরাসরি বিচারের বিরোধীতা না করলেও 'সুষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও আন্তজার্তিক মানের' বিচারের দাবি জানিয়ে আসছে দলটি।
মঙ্গলবারের সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, এখন ঘরে ঘরে ক্যাসিনো। দেশের মানুষের কোনো নিরাপত্তা নেই। প্রতিদিন সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৫০ থেকে ৬০ জন মানুষ মারা যাচ্ছে। সরকার গ্যাস, বিদ্যুৎসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়াচ্ছে। সরকারের সবাই লুটেরা। মেঘা প্রকল্পের নামে মেঘা লুট হচ্ছে।
সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামিমের সভাপতিত্বে এই সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশারফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদির লুনা, খন্দকার আব্দুল মোক্তাদির, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এনি, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, যুবনেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সহসাংগঠনিক সম্পাদক দিলদার হোসেন সেলিম, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন মিলন, কেন্দ্রীয় সমবায় বিষয়ক সম্পাদক জি কে গউছ, সহক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসোইন, সাবেক সভাপতি ডা. শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী, বিএনপি নেতা হুমায়ন কবির খান, কেন্দ্রীয় যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি মুর্তাজুল করিম বাবলু, কৃষক দলের কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব হাসান জাকির তুহিন, যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান, কেন্দ্রীয় তাঁতীদলের আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।