নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
বাকী আসামীদের সকলেই হাজির ছিলেন আদালতে। অনুপস্থিত কেবল সিলেট সিটি করপোরেশনের বহিস্কৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তাঁর অনুপস্থিতির কারনেই আজ আরকেদফা পেছালো কিবরিয়া হত্যা মামলার চার্জ গঠন। বারবার পিছিয়ে যাওয়ার ফলে আলোচিত এই মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল থেকে ফের হবিগঞ্জ জজ আদালতে স্থানান্তরিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর এই নিয়ে নবমবারের মতো পেছালো চাঞ্চল্যকর এ মামলার চার্জ গঠনের তারিখ। চার্জ গঠন না হওয়ায় আটকে আছে আছে মামলার কার্যক্রম।
১৬ সেপ্টেম্বর চার্জ গঠনের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আদালতের বিচারক মকবুল আহসান। একই সঙ্গে মেডিকেল বোর্ড গঠন করে আরিফুল হকের স্বাস্থ্য প্রতিবেদন ১৬ সেপ্টেম্বর আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
রবিবার সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হবিগঞ্জ পৌরসভার বরখাস্তকৃত মেয়র জিকে গৌছসহ সকল আসামীকে হাজির করা হয়। অসুস্থতার কারণে কেবল সিলেটের বরাখাস্তকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীকে হাজির করা হয়নি।
এই মামলায় কারান্তরীন আরিফের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আরিফুল হক গুরুতর অসুস্থ। ঢাকায় একটি হাসপাতালে তাঁর ফিজিওথেরাপি চলছে। চিকিৎসকরা তাকে সিলেট আসার অনুমতি দেননি।
এদিকে, বারবার তারিখ পেছানোয় ক্ষোভ জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবিরা। দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালের পিপি কিশোরকুমার কর শঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত বিচার টাইবুন্যালের নিয়ম অনুযায়ী ১৩৫ দিনের মধ্যে চার্জ গঠন করা না গেলে মামলাটি ফের হবিগঞ্জ আদালতে চলে যাবে।
সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের পর ২১ জুন প্রথমবারের মামলাটির অভিযোগ গঠনের তারিখ পিছিয়ে যায়।
উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জের বৈদ্যের বাজারে জনসভায় চালানো গ্রেনেড হামলায় আওয়ামীলীগ নেতা ও সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ পাঁচজন নিহত হন। এ ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক সাংসদ আব্দুল মজিদ খান বাদি হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দুটি মামলা দায়ের করেন।