নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ নভেম্বর, ২০১৯
ছেলেকে সাথে নিয়ে ট্রেনে করে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন ধলাই মিয়া। চট্টগ্রাম আর যাওয়া হয়নি। ব্রাহ্মনবাড়িয়ার কসবায় দুর্ঘটনায় পড়ে সে ট্রেন। আহত হয়ে পিতা-পুত্রের ঠাঁই হয় ওসমানী হাসপাতালে। পুত্র জজ মিয়া কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও জজ মিয়ার আর বাড়ি ফেরা হয় নি। দুর্ঘটনার ছয়দিনের মাথায় রোববার না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ধলাই মিয়া (৬৫)।
রোববার বিকালে ওসমানী হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেক্ষন কেন্দ্র (আইসিউতি) তে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৭ জনে।
সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইউনুছুর রহমান মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইউনুছুর রহমান বলেন, এ রেল দুর্গটনায় আহত হয়ে ৬ জন ওসমানীতে চিকিৎসা নিতে এসেছিলেন। এদের মধ্য ধলাই মিয়ার অবস্থা শুরু থেকেই আশঙ্কাজনক ছিলো। তার মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছিলেন। আহত বাকী ৫ জন চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন বলে জানান পরিচালক।
গত সোমবার (১১ নভেম্বর) রাত ৩ টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের কসবা উপজেলাস্থ মন্দবাগ রেলওয়ে স্টেশনের লুপলাইনের মুখে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নিশীথার সংঘর্ষ ঘটে। এ দুর্ঘনায় ঘটনাস্থলেই ১৬ জন নিহত হন ও শতািধক আহত হন। আহতদের মধ্যে ধলাই মিয়া ও তার ছেলে জজ মিয়াসহসহ ৬ জনকে মঙ্গলবার ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ধলাই মিয়ার বাড়ি হবিগঞ্জ জেলায়।