নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
দেশের বিরল জলারবন ‘রাতারগুল’ বাঁচাতে সরকারকে যুগোপযোগী বিজ্ঞানসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের তাগিদ দিলেন বিশিষ্টজনেরা।
রাতারগুল বন রক্ষার নামে বনবিভাগের বিভিন্ন প্রকল্প অবিলম্বে বন্ধ করার দাবিও করেন তারা।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সিলেটের রাতারগুল গ্রামসংলগ্ন রাতারগুল জলারবন পরিদর্শন শেষে আয়োজিত নৌ-সভায় এমন দাবি জানান বক্তারা। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর আয়োজনে এবং ভূমিসন্তান বাংলাদেশ ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় অভিনব এ নৌ-সভার আয়োজন করা হয়।
রাতারগুল বন সংলগ্ন জলাভূমিতে আয়োজিত এই নৌ-সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. কাজী খলিকুজ্জামান বলেন, বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠার নামে বন বিভাগ রাতারগুল ধ্বংস করার পায়তারা করছে।
বিশেষজ্ঞদের মতামত না নিয়ে বন বিভাগের এমন কাজের কঠোর সমালেচনা করেন তিনি।
নৌ-সভায় বক্তব্য রাখেন, বাপা’র সহসভাপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী, মানবাধিকার ও পরিবেশ কর্মী খুশি কবীর, বেলা’র নির্বাহী পরিচালক রেজওয়ানা হাসান, শাবিপ্রবি’র ফরেষ্ট্রি বিভাগের প্রধান ড. নারায়ণ সাহা, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান ড. নাজিয়া চৌধুরী, নর্থইষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভারমেন্ট সাইন্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. এম মজিদ, সিলেট জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শাহিদুল ইসলাম শাহিন, বাপা’র সহ সাধারণ সম্পাদক শরীফ জামিল, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল করিম কিম, গোয়াইনঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাকিম, ভূমিসন্তান বাংলাদেশের সমন্বয়ক আশরাফুল কবীর, বাপা হবিগঞ্জের সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ, সিলেটের সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরাসহ স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বাপা’র সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন জানান, এই সফর শেষে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে রাতারগুল রক্ষায় করণীয় নির্ধারণ করে একটি প্রতিবেদন সরকারের কাছে প্রস্তাব করা হবে।