নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ নভেম্বর, ২০১৯
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এমপি বলেছেন, আমরা মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী পালনের দ্বারপ্রান্তে। এই মহোৎসবে সম্পৃক্ত করতে হবে জাতির জনক ও মাতৃভূমির জন্য নিবেদিতপ্রাণ ব্যক্তিত্বদের। সন্ধান করতে হবে প্রকৃত ইতিহাসের। স্বীকৃতি দিতে হবে তাঁদের কল্যাণকর অবদানের। শুধু তাই নয়, খুঁজে বের করতে হবে তাদের পরিবার স্বজনদেরও। জানতে হবে, তারা কে কোথায়-কেমন আছেন। প্রয়াত গীতিকবি গোপীচাঁদ সিংহ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ও মাতৃভূমির জন্য নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। তার কৃতকর্ম শুধু নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী নয়, আমাদের জন্যও গৌরবের। প্রত্যন্ত এলাকায় জন্ম নিয়েও গণসংগীতের মাধ্যমে তিনি একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সম্মাননাপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধের গণসংগীতের রচয়িতা, আওয়ামী লীগের প্রাক্তন কর্মী, দ্বিভাষী গীতিকবি প্রয়াত গোপীচাঁদ সিংহের সহধর্মিণী অসুস্থ নেম্বী দেবীকে দেখতে গিয়ে মন্ত্রী একথাগুলো বলেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নগরীর শাহী ঈদগাহস্থ বাসায় গেলে নেম্বী দেবী তাঁর স্বামী গোপীচাঁদ সিংহের লেখা মুক্তিযুদ্ধকালীন গণসংগীত ছাড়াও গীতিকবির লেখা কয়েকটি গ্রন্থ মন্ত্রী ইমরান আহমদের হাতে তুলে দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রীর পিএস উপসচিব আহমেদ কবির, গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিৎ কুমার পাল, গোয়াইনঘাট সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মো: ফজলুল হক, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর, নজরুল একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান আহমদ, ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতা ফারুক আহমদ, স্থানীয় আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজি কুতুব উদ্দিন, সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহ্বায়ক, ৫ নং ওয়ার্ড পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান পাপ্পু, প্রয়াত গীতিকবি গোপীচাঁদ সিংহের ছেলে, দৈনিক যুগান্তরের সিলেট ব্যুরো ইনচার্জ সংগ্রাম সিংহ, পুত্রবধূ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার গীতা রাণী শর্ম্মা, প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতা উত্তম সিংহ, সাংবাদিক রণজিৎ সিংহ ও আওয়ামীলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী মুকুল।