তাহিরপুর প্রতিনিধি | ২৩ জানুয়ারী, ২০২০
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ট্যাকেরঘাটে নির্মিত গুচ্ছগ্রামে তাহিরপুর উপজেলার ছিন্নমূল ৪০ পরিবারের আবাসন হবে। বসতঘর, রান্নাঘর, মানসম্মত পায়খানা সবকিছুই থাকবে গুচ্ছ গ্রামের ঘরগুলোতে। এখানে বসবাসরতদের বিনোদনের জন্য থাকবে একটি মালটিপারপাস হলরুম।
জানা যায়, বসতঘর, রান্নাঘর, মানসম্মত পায়খানা সবকিছু মিলে এতে ব্যয় হবে ৬০ লক্ষ টাকা। মালটিপারপাস হলরুমের জন্য ব্যয় হবে ৭ লক্ষ ৯৩ হাজার টাকা। বিশুদ্ধ পানির জন্য বরাদ্দ রয়েছে এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা, প্রতি ঘরের মালিকদের কবুলিয়াত দলিল বাবত বরাদ্দ রয়েছে ২০ হাজার টাকা। সবকিছু মিলে এতে ব্যয় হবে ৬৯ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের গুচ্ছগ্রাম ২য় পর্যায় (সিভিআরপি) প্রকল্পের অধীনে সরকারী পরিপত্রের অনুযায়ী প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক সংশ্লিষ্ট উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার সভাপতি সদস্য সচিব হবেন সহকারী কমিশনার (ভূমি)। এই প্রকল্পের সদস্যরা হলেন, সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আরডিসি, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান ও পুনর্বাসিত পরিবারের একজন প্রতিনিধি।
সূত্রে জানা যায়, ঠিকাদারের মাধ্যমে কাজ হবে না মর্মে ঠিকাদারের মুনাফা, ওভারহেড, ভ্যাট ব্যতীত ইত্যাদি বাবত খরচ বাদ দিয়ে প্রাক্কলন মূল্য ধরা হয়েছে। উক্ত কাজের সমুদয় অর্থ এককালীন অগ্রিম উত্তোলন করা যাবে মর্মে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
উক্ত আবাসন নির্মাণ কাজের মধ্যে পিলার, ল্যাট্রিন রিং ও স্ল্যাব নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।
শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী খসরুল আলম বলেন, প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি টেকেরঘাটে গুচ্ছ গ্রামটি নির্মাণ হলে সীমান্ত এলাকার সৌন্দর্য বেড়ে যাবে। ভারতের মেঘালয় পাহাড় ঘেঁষা এ গ্রামটি হবে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিজেন ব্যানার্জী বলেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের গুচ্ছগ্রাম ২য় পর্যায় (সিভিআরপি) প্রকল্পের নিয়মানুযায়ী কাজটি নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আরডিসি’ও সংযুক্তি রয়েছেন এ কাজে। আশা করি দ্রুত এ কাজটি সম্পন্ন হরা হবে।