Sylhet Today 24 PRINT

বাসায় ঢুকে অজ্ঞান করে ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট : আহত ১০

বড়লেখা প্রতিনিধি |  ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চেতনা নাশক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে দুই বাসার বাসিন্দাদের অজ্ঞান করে ১৫ লক্ষ টাকার মালামাল লুট করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে আনুমানিক ২ ঘটিকা থেকে ভোর রাতের যে কোন এক সময়  পৌর শহরে এম মান্নান ভিলা ও আব্দুল খালিকের বাসায় ঘটনাটি ঘটে। ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩ ঘটিকার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় অজ্ঞান অবস্থায় দুই বাসার ১০ জনকে উদ্ধার করে বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর লোকজন।

আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এরা হলেন- এম মান্নান ভিলার বাসিন্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর উপ-সহকারি মেডিক্যাল অফিসার নুরুন্নবী রাজু (৩৫), স্ত্রী মৌসুমী বেগম (২২), ছেলে আদিত্য (৩), ভাই নূরুল আলম রানা (২৫), একই বাসার বাসিন্দা তাসনিমা (১৩), রহিমা জান্নাত (৩৩), আমিনুর রশিদ (৪৭), আব্দুর রহমান (৪০), পাশের বাসার মালিক আব্দুল খালিক খালই (৫০), রোকশানা আক্তার (৪০)। তবে সন্ধ্যা ৬টায় এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত উপ-সহকারি মেডিক্যাল অফিসার নুরুন্নবী রাজু ছাড়া অন্য সবার জ্ঞান ফিরেছে।
খবর পেয়ে বিকেল ৪ ঘটিকায় বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, পৌর শহরে দক্ষিণবাজার এলাকার আব্দুল খালিকের বাসায় আনুমানিক রাত ২টায় আত্বীয় পরিচয়ে এক অজ্ঞাত বৃদ্ধ প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সদস্যদের চেতনা নাশক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে অজ্ঞান করে ২৫ ভরি স্বর্ণা লঙ্কার ও নগদ টাকাসহ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার মালা মাল লুট করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এছাড়া ওই রাতে পাশ্ববর্তী এম মান্নান ভিলার বাসিন্দাদেরও অজ্ঞান করে দুর্বৃত্তরা। তবে এ বাসার কোন মালামাল লুটের তথ্য পাওয়া যায়নি।

২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ২টা পর্যন্ত দুই বাসার লোকজনের কোন সাড়া না পেয়ে পাশ্ববর্তী লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে এদের অজ্ঞান অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে স্থানীয়রা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের লোকজন এদের উদ্ধার করে বড়লেখা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: আহমদ হোসেন জানান, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে চেতনা নাশক ঔষধ প্রয়োগের মাধ্যমে এদের অজ্ঞান করা হয়।

বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানিয়েছেন এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.