Sylhet Today 24 PRINT

নিখোঁজের চারদিন পর বিশ্বনাথের বাসিয়ায় বৃদ্ধের লাশ

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি |  ১২ মার্চ, ২০২০

গত ৮ মার্চ রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী বাসিয়া নদীর পাড়ে যাবার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন যতিন্দ্র কুমার দাস। এরপর দীর্ঘ চারদিন অতিবাহিত হলেও তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেন নি। স্ত্রী-সন্তান ও আত্মীয়স্বজনরাও অনেক খোঁজাখুজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। শেষ পর্যন্ত তাকে পাওয়া গেছে ঠিকই, তবে জীবিত নয়।

নিখোঁজের চারদিন পর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বাড়ির পার্শ্ববর্তী বাসিয়া নদী থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করেছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।
এরপর ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ।

পুলিশের ধারণা বৃদ্ধের হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। চার কন্যা সন্তানের জনক নিহত যতিন্দ্র কুমার দাস সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলংকারী ইউনিয়নের টেংরা (দাসপাড়া) গ্রামের মৃত হরেন্দ্র কুমার দাসের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী-সন্তানরা জানান, গত ৮ মার্চ রোববার রাত সাড়ে ১১টারদিকে বাড়ির পার্শ্ববর্তী বাসিয়া নদী পাড়ে যাবার কথা বলে নিখোঁজ হন বৃদ্ধ যতিন্দ্র কুমার দাস। পরে দীর্ঘ চারদিন খোঁজাখুজির পর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় স্থানীয় লোকজন টেংরা গ্রামের পার্শ্ববর্তী বাসিয়া নদীর পানিতে যতিন্দ্র কুমারের লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে থানার ওসি শামীম মুসা একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠান।

এ প্রসঙ্গে বিশ্বনাথ থানার ওসি শামীম মুসা বলেন, দুস্কৃতিকারীরা যতিন্দ্র কুমার দাসের হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে বলে তিনি ধারণা করছেন। আর হত্যার পর লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে মাটির বস্তা লাশের গলা ও পায়ে রশি দিয়ে বেঁধে নদীতে ফেলে দেয় দুর্বৃত্তরা।

 

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.