গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি | ১২ মার্চ, ২০২০
সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক ব্যাধি। এ থেকে আমাদের উত্তরণ জরুরী। সারা দেশে এ নিয়ে সরকারের বিভিন্ন কাউনসেলিং প্রকল্প এগিয়ে চলছে। সামাজিক গণসচেতনতা গড়ে তুলতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সিলেটের জৈন্তাপুরে বালিকা বিদ্যালয়ে স্বর্ণ কিশোর-কিশোরী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
তিনি আরও বলেন, অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় মেয়েরা বিয়ের পিড়িতে বসলে নারী ও শিশু মৃত্যুর ঝুঁকি রয়েছে, এটা আমাদের দেশ তথা জনসাধারণের জন্য একটি খারাপ সংবাদ। তাই অকাল মাতৃত্বজনিত মৃত্যুহ্রাসে দেশব্যাপী জনসচেতনতা গড়ে তুলা হচ্ছে।
জনস্বার্থে বাল্যবিয়ের মতো সামাজিক অবক্ষয় থেকে সমাজ তথা দেশকে রক্ষার্থে সকলকে সচেতন হওয়ার আহবান জানান তিনি।
জৈন্তাপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা পারভীনের সভাপতিত্বে শিক্ষক রজত ভূষণ ও নিজাম উদ্দিনের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন স্বর্ণ কিশোর-কিশোরী নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফারজানা ব্রাউনিয়া।
প্রধান বক্তা ছিলেন জৈন্তাপুরের উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল আহমদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান বশির আহমদ, জৈন্তাপুর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বণিক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সুলেমান হোসেন, একাডেমিক সুপারভাইজার আজিজুল হক খোকন, বিদ্যালয় সভাপতি হয়দার আলী, প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম, এনজিও প্রতিনিধি সুমানা ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের শেষাংশে প্রধান অতিথি জৈন্তাপুর বালিকা বিদ্যালয়ের বায়োমেট্রিক হাজিরা মেশিনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।