জৈন্তাপুর প্রতিনিধি | ১২ মার্চ, ২০২০
সিলেটের জেলা প্রশাসক কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের সাথে এমন আচরণ করা যাবে না যা শিক্ষার্থীদের মন ভেঙ্গে যায়। শরীরের একটি অংশ ভেঙ্গে গেলে জোড়া লাগে কিন্তু একজন শিক্ষার্থীর কোন কারনে মন ভেঙ্গে পড়লে হয়তো সে আর শিক্ষাগ্রহণ না করে স্কুল ত্যাগ করে চলে যাবে। এতে ক্ষতি হবে দেশ ও জাতীর। পূর্ব পুরুষেরা যে ভাবে শিক্ষা দিয়ে গেছেন, আমাদের সে ভাবে শিক্ষা দিয়ে যেতে হবে, শিক্ষার্থীদের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ন আচরনই হতে পারে একজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে অভিভাবকের সেতুবন্ধন।
তিনি বলেন, কোন শিক্ষার্থী অপরাধ করলে একান্তভাবে তার সাখে মিশে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করে নিতে হবে, কখনো অপদস্ত করা যাবে না।
বৃহস্পতিবার জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যায়ের বার্ষিক ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্টান ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতির বক্তব্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা পারভীন এর সভাপতিত্বে ও স্কুলের সাবেক ছাত্রী তৃপ্তির উপস্থাপনায় বিশেষ অথিতির মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, ১৭ পরগনা সালিশ সমন্বয় কমিটির সভাপতি আবু জাফর আবুল মৌলা চৌধুরী, স্বর্ণ কিশোর-কিশোরী নেটওয়ার্ক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ফারজানা ব্রাউনিয়া, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারুক হোসেন, জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শ্যামল বণিক , জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহেদ আহমদ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সোলাইমান হোসেন, একাডেমিক সুপারভাইজার আজিজুল হক খোকন, জৈন্তিয়াপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পরিচালনা কমিটির সভাপতি হায়দর আলী, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি ফারুক আহমদ, সমাজসেবী আব্দুল মতিন শাহীন প্রমুখ।