সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৫
মিনা ট্র্যাজেডির দিনে পদদলিত হয়ে মারা যাওয়া সুনামগঞ্জের নারী হাজি জুলিয়া হুদাকে সৌদি আরবে দাফন করা হয়েছে। বোরবার বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায় মসজিদে হেরাম শরিফে ফজরের নামাজের পরপরই জানাযা শেষে সে দেশেই দাফন করা হয়। নিহতের দেবর খায়রুল হুদা চপল রোববার দাফনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহেতর বড় বোন আফিয়া চৌধুরী আহত হয়ে সে দেশের হাসপাতালে আইসিইউতে রয়েছেন। জুলিয়া হুদা তাঁর স্বামী বদরুল হুদা মুকুল ও বড়বোন আফিয়া চৌধুরী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।
খায়রুল হুদা চপল জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে টেলিভিশনে সৌদি আরবের মিনায় পদদলনে হাজিদের মৃত্যুর খবর দেখে বড় ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্ঠা করেন এ সময় তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পান। এদিনই সন্ধ্যায় সাতটার দিকে বদরুল হুদা নিজেই বাসায় ফোন করে জানান, জুলিয়া হুদাকে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে হাসপাতালে গিয়ে তিনি তাঁর মরদেহ সনাক্ত করেন।
তিনি আরো জানান, শয়তানকে পাথর মারতে যাওয়ার আগের রাতে বদরুল হুদা শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়ায় তিনি শয়তানকে পাথর মারতে যেতে পারেননি। তাঁকে তাবুতে রেখে জুলিয়া হুদা এবং তাঁর বড় বোন আফিয়া চৌধুরী (৫৬) পাথর মারতে যান। তাবুতে থাকা অবস্থায় দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বদরুল হুদা মুকুল সেখানে ছুটে যান। তাকে না পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করতে থাকলে একটি হাসপাতালে জুলিয়া হুদার লাশ শনাক্ত করেন। জুলিয়া হুদার বড় বোন আফিয়া চৌধুরীও তখন আহত হন। তিনি বর্তমানে সেখানে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।