Sylhet Today 24 PRINT

কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু, সাক্ষ্য দিলেন বাদী

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৫

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে। আজ বুধবার সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনলের বিচারক মকবুল আহসান আলোচিত এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেন।

এরআগে ২১ সেপ্টেম্বর সাক্ষীরা অনুপস্থিত থাকায় পিছিয়ে যায় সাক্ষ্য গ্রহণ। আজ আদলতে মামলাটির বাদী হবিগঞ্জের সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ খান স্বাক্ষ্য প্রদান করেন। আজ সিলেট সিটি করর্পোরেশনের বরখাস্থকৃত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ছাড়া জেল হাজতে থাকা ১৪ আসামী ও জামিনে থাকা ৮ জন আদালতে উপস্থিত হন। আরিফুল হক ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জানান, এ মামলায় ১৭১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে। আগামী ২১ ও ২২ অক্টোবর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

কিবরিয়া হত্যার দশ বছর পর গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেট বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসান সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হরিছ চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেট সিটি করপোরশেনের সাবেক মেয়র আরিফুলহ চৌধুরী, হবগিঞ্জ পৌর মেয়র জিকে গৌছ, হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে আলোচিত এ মামলার চার্জ গঠন করেন।

মামলার ৩২ আসামীর মধ্যে ১৪ জন কারাগারে, ৮ জন জামিনে এবং ১০ জন পলাতক রয়েছেন।

এরআগে নানা নানা জটিলতায় দীর্ঘ দশ বছর আটকে ছিলো এ মামলার বিচার কাজ। সর্বশেষ মামলার অন্যতম আসামী আরিফুল হকের অসুস্থতার কারনে নয় দফা পিছিয়ে যায় অভিযোগ গঠনের শুনানি।

প্রসঙ্গত ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যের বাজারে এক জনসভায় গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া। হামলায় নিহত হন কিবরিয়ার ভাতিজা শাহ মনজুরুল হুদা, আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিম, আবুল হোসেন ও সিদ্দিক আলী।

এ ঘটনায় ওই রাতেই হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আবদুল মজিদ খান হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে দু’টি মামলা দায়ের করেন।

আলোচিত এ মামলায় তিন দফা তদন্তের পর তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির সিলেট অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মেহেরুন নেছা পারুল ২০১৪ সালের ২১ ডিসেম্বর হারিছ, আরিফ, গউছসহ ১১ জনের নাম যোগ করে মোট ৩২ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেন।
এরপর আরিফ ও গউছ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে বিচারক তা নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠান। সরকার তাদের মেয়র পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ মো. আতাবুলল্লাহ মামলাটি বিচারের জন্য গত ১১ জুন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দেন। এ আদালতেই এই মামলার বিচার হবে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.