জুড়ী প্রতিনিধি | ১২ এপ্রিল, ২০২০
করোনাভাইরাসের প্রভাবে নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে সকল স্তরের মানুষের কাজকর্ম বন্ধ। এ অবস্থায় অনেকের হাতে জমানো টাকা পয়সাও প্রায় শেষ। অচলাবস্থায় অনেকের ঘরে রান্না করার মত কিছুই নেই। মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার মোট জনসংখ্যার অধিকাংশই দরিদ্র-হতদরিদ্র। এই দুর্যোগময় পরিস্থিতিতে কর্মহীন মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। জেলা প্রশাসন থেকে যে পরিমাণ ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে তাও অপর্যাপ্ত।
এদিকে বিভিন্ন দুর্যোগে প্রবাসী অধ্যুষিত এই এলাকার মানুষের পাশে বেশিরভাগ সময়ই প্রবাসীরা এগিয়ে আসতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীরাও একই রকম দুর্ভোগে থাকায় তাদের থেকে তেমন একটা সহায়তাও পাচ্ছেন না এই এলাকার মানুষেরা। তাছাড়া প্রবাসী টাকার উপর নির্ভরশীলরাও বিপাকে পড়েছেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ৫টি ধাপে সরকারি বরাদ্দ সাড়ে ৩৬ টন চাল, নগদ ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সুষ্ঠুভাবে তা বন্টনো করছে। কিন্তু জনসংখ্যার চেয়ে ত্রাণ অপ্রতুল থাকায় ত্রাণের অভাব ঘুচানো যাচ্ছে না।
অপরদিকে মহাবিপর্যয়ে পড়েছেন মধ্যবিত্তরা। কাজকর্ম বন্ধ থাকায় তাদের উপার্জন নেই। পরিবহন শ্রমিকরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। এমতাবস্থায় অত্যন্ত কষ্টে দিনাতিপাত করলেও মুখ ফোটে বলতেও পারছেন না কিছুই। যত দিন গড়াচ্ছে তত তাদের কষ্ট পাহাড় সমান হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অসীম চন্দ্র বনিক বলেন, জুড়ীতে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মানুষকে খাবার দিয়ে সহযোগিতা করছেন। প্রবাসীরাও সময় ও সুযোগমতো সহযোগিতা দিচ্ছেন। তাছাড়া জুড়ীতে সরকারি বরাদ্দ বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে।