সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ০৪ অক্টোবর, ২০১৫
সুনামগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভবনের দোকান কোটা বরাদ্দ পেতে জামায়াত শিবির চক্র তৎপরতা শুরু করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসন কর্তৃক জারিকৃত বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তিতে নানা অসঙ্গতি ও ত্রুটির সুযোগে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র দোকান কোটা পেতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে বলে মুক্তিযোদ্ধারা অভিযোগ করেছেন।
জেলা প্রশাসনের এসব অসঙ্গতির পুনর্বিবেচনার জন্য রোববার সুনামগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা ও লেখক মালেক হোসেন পীর জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন করেছেন।
মালেক পীর তার আবেদনে উল্লেখ করেন, সম্প্রতি নির্মিত অত্যাধুনিক সুনামগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে সরকার। গত আগস্ট মাসে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ভবন উদ্বোধন করেন। প্রথম তলার ৯টি এবং দ্বিতীয় তলার ২৪০০ বর্গফুট জায়গা মাসিক ভাড়ায় বরাদ্দের জন্য স্থানীয় পত্রিকায় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় তাতে অনেক অসঙ্গতি রয়েছে।
স্মারক দেওয়া হয়েছে এক অফিসের, স্বাক্ষর করেছেন আরেকজন। তাছাড়া বরাদ্দ বিষয়ে নানা ফাঁক ফোকর থাকায় বরাদ্দ নিয় দুর্নীতি হতে পারে।
মুক্তিযোদ্ধা মালেক হোসেন পীর তার আবেদনে উল্লেখ করেন, ইজারা প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দের অসচেতনার বিষয়ে দোকান কোটা বরাদ্দ পেতে জামায়াত-শিবিরসহ স্বাধীতনাবিরোধী গোষ্ঠী দখলে নিতে তৎপরতা শুরু করেছে। প্রশাসনই এই ত্রুটি রাখায় তারা আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
মুক্তিযোদ্ধা মালেক হোসেন পীর বলেন, বরাদ্দ বিজ্ঞপ্তির অসঙ্গতি ও ত্রুটির জন্য মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের দোকান কোটা বরাদ্দ পেতে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-শিবির চক্র নানা কৌশল নিয়েছে। তারা প্রয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিকে ব্যবহার করে সেটা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। এই ত্রুটিপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি সংশোধনের মাধ্যমে পূন বিজ্ঞপ্তি না দিলে সেটা হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কে এ বিষয়ে সতর্ক হয়ে প্রতিবাদী অবস্থানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
সুনামগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক দেবজিৎ সিং বলেন, আবেদনটির বিষয়ে আমি কিছু জানি না। এখনো আমার কাছে এ সংক্রান্ত আবেদনটি পাইনি।