জুড়ী প্রতিনিধি | ১২ মে, ২০২০
জুড়ীর পশ্চিম গবিন্দপুরের সড়কটি এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি'র দক্ষিণ পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়ার কারণে বর্ষা বা শুকনো মৌসুমে নানাবিধ কাজে প্রচুর লোকজন এবং যানবাহনের সমাগম ঘটে। বিশেষ করে বোরো ধান ঘরে তুলতে এ অঞ্চলসহ উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এই সড়ককে অন্যতম প্রধান সড়ক হিসেবে ব্যবহার করেন। সড়কটি পাকা না হওয়ার কারণে মানুষের যাতায়াতে অনেক কষ্ট হয়। বিভিন্ন সময় গর্ত ও হয়ে যায়। এসব গর্তে মাটি ভরাট করে স্বেচ্ছায় সড়কর সংস্কার করেছেন এলাকার যুবকরা।
সোমবার (১১ মে) রাতে গোবিন্দপুর সমাজকল্যাণ সংস্থা'র যুবকরা স্বেচ্ছায় মাটি খনন এবং সড়ক ভরাটের কাজ করেন।
সংস্থার সভাপতি আহমেদ রেজা রুবেল ও সাধারণ সম্পাদক এম. কামরুল ইসলাম এর সার্বিক তত্বাবধানে প্রায় ১ কিলোমিটারের মত সড়কর বিভিন্ন গর্ত ভরাট এবং সমতলের কাজ সম্পন্ন হয়।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি তারেক মোহাম্মদ, ওয়ালিদ আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার আহমদ, কোষাধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসাইন, কার্যকরী সদস্য শামিম আহমদ, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক শামসুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য ইমেল আহমেদ, নুরুল ইসলাম, মাজহারুল ইসলাম,তামিম আহমদ, জামাল মিয়া, জাফর উদ্দিন, শিপার আহমদ, আলিম উদ্দিন, তাজ উদ্দিন, নাইম আহমদ,সজিব আহমদ প্রমুখ।
সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি তারেক মোহাম্মদ বলেন, এ সড়ক দিয়ে অনেক মানুষের চলাফেরা। কিন্ত অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো আমাদের সড়কটি পাকা না হওয়ায় অল্প বৃষ্টি বা সীমিত পরিসরে যানবাহন চলাচল করার কারণে সড়কটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। যার কারণে স্কুল, কলেজের পড়ুয়া শিক্ষার্থীসহ আপামর গ্রামবাসীর জন্য চলাচল করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। জরুরি রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে বিলম্ব হয়। সম্প্রতি বোরো ধান ঘরে তুলার পর থেকে অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল করার কারণে সড়কর বিভিন্ন স্থান ভাঙন, উঁচুনিচুসহ অল্প বৃষ্টি'তে পানি জমে থাকতো। এর থেকে পরিত্রাণ পেতে আমরা যুবকরা এগিয়ে আসি। তারাবির নামাজের পর থেকে সেহরির সময় পর্যন্ত প্রায় ঘণ্টা পাঁচেক নিকটবর্তী হাওর থেকে গাড়ি দিয়ে মাটি এনে সড়ক ভরাট করে দেই।
উপজেলার প্রায় সহস্রাধিক মানুষের কথা চিন্তা করে এই সড়ক দ্রুত সম্প্রসারণ এবং পাকাকরনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান তিনি।