সিলেটটুডে ডেস্ক | ২০ আগস্ট, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনে তার স্থলাভিষিক্ত কে হচ্ছেন, তা নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এনিয়ে চলছে আলোচনা। ফখরুলের বড় মেয়ে ড. শামারুহ মির্জা সামা ও ছোট ভাই মির্জা ফয়সল আমীনের নাম নিয়ে রীতিমতো জনমত জরিপও চলছে। তবে এসব গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন ও আগাম আলোচনা বলে দাবি করেছেন জেলা বিএনপির নেতারা। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তারা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা এসব জল্পনাকল্পনা ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমীন।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মির্জা ফয়সল আমীন বলেন, “আমাদের আসনটি এখনো শূন্যই হয়নি। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এখনো এ আসনের সংসদ সদস্য। দল তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নির্বাচন হওয়ার কথা। নির্বাচনের পর শপথ ও গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে আসনটি আনুষ্ঠানিকভাবে শূন্য হবে। এরপরই মূলত প্রার্থিতার বিষয়টি সামনে আসবে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইঝির (শামারুহ) পাশাপাশি নিজের নাম আসার বিষয়ে মির্জা ফয়সল বলেন, “শামারুহ বিদেশে থাকেন। তবে বাবার নির্বাচনের সময় দেশে এসে প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন এবং মানুষের সঙ্গে মিশেছেন। সে কারণে সাধারণ মানুষ তাকে প্রার্থী হিসেবে চাইতেই পারে। অন্যদিকে আমি জেলা বিএনপির সভাপতি হিসেবে সরাসরি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাই আমাকেও চাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। মানুষের এই চাওয়াটাই মূল বিষয়। তবে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেভাবে প্রচার হচ্ছে, বাস্তবতা সে রকম নয়।”
এ নিয়ে নিজেদের মধ্যে বা পারিবারিকভাবে কোনো আলোচনা হয়নি বলে নিশ্চিত করে তিনি আরও বলেন, “এসব গুঞ্জনে সাধারণ ভোটাররা বিব্রত হচ্ছেন। আমাদের দলের চেয়ারম্যান এবং নীতিনির্ধারকেরাই সিদ্ধান্ত নেবেন, শূন্য আসনে কে নির্বাচন করবেন। এখানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জনমত জরিপের কোনো ভিত্তি নেই।”
তবে শামারুহ মির্জার নির্বাচনে আসার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, “দল কাকে মনোনয়ন দেবে, সেটা সম্পূর্ণ দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে এটুকু পরিষ্কার যে, মির্জা ফখরুল স্যারের মেয়ে সামা এই মুহূর্তে নির্বাচনে আসছেন না। তিনি অস্ট্রেলিয়াপ্রবাসী এবং রাজনীতিতে সক্রিয় হতে তার আরও সময় লাগবে।”
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এসব গুঞ্জনে কান না দিয়ে দলীয় নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা।