নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ অক্টোবর, ২০১৬
দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুরে ৫ বছরের শিশু ধর্ষণের ঘটনার গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামী সাইফুল ইসলাম স্ত্রী নির্যাতনের দায়ে আগেও গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। তিনি ওই এলকায় বিএনপির রাজনীতির সাথেও জড়িত বলে জানা গেছে।
পেশায় কাঠ ব্যবসায়ী সাইফুল নারী নির্যাতনের আরেক মামলায় দেড় মাস কারাগারের থাকার পর সম্প্রতি জামিন পান। এরপর কদিনের মধ্যেই ৫ বছরের প্রতিবেশি এক শিশুকে তোলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠে তার বিরুদ্ধে।
পার্বতীপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুল আলম তার পূর্বের গ্রেপ্তার থাকার তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "স্ত্রীকে নির্যাতন করায় তার স্ত্রীর করা নারী নির্যাতনের মামলায় সাইফুলকে আমরা আগে গ্রেপ্তার করেছিলাম। সে দেড় মাস হাজতে ছিল, পরে জামিনে ছাড়া পায়। ওই ইউনিয়নে সে বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। "
ওসি মাহমুদুল জানান, তার বিরুদ্ধে ওই মামলা এখনো বিচারাধীন আছে।
এদিকে পার্বতীপুরের জমিরের হাট এলাকার ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য সাইফুল কাঠ ব্যবসা করলেও তার চারিত্রিক প্রচুর দুর্নাম আগে থেকেই ছিল।
প্রসঙ্গত, গত বুধবার (১৯ অক্টোবর) পার্বতীপুরের জমিরের হাট এলাকায় সুবল দাসের এই কন্যাশিশুকে গ্রামের লোকজন একটি হলুদ ক্ষেত থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানে তার অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় ঢাকায় প্রেরণ করা হয়। বর্তমানে সংকটাপন্ন অবস্থায় শিশুটির চিকিৎসা চলছে।
এদিকে এই ঘটনার ৫ দিন পর পুলিশ সাইফুলকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।