Sylhet Today 24 PRINT

জাপার চূড়ান্ত মনোনয়ন ক্ষমতা রাঙ্গার হাতে

সিলেটটুডে ডেস্ক |  ০৫ ডিসেম্বর, ২০১৮

রুহুল আমিন হাওলাদারকে সরিয়ে নতুন মহাসচিব ঘোষণার পর একাধিক দলীয় প্রার্থীর চূড়ান্ত মনোনয়ন নিয়ে জটিলতা তৈরির প্রেক্ষাপটে জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়ন ক্ষমতা নতুন মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাকে দিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

বুধবার (৫ ডিসেম্বর) ইসির উপসচিব আব্দুল হালিম খান সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

দলটির চূড়ান্ত মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নতুন তালিকা পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এর ফলে আগের মহাসচিবের চূড়ান্ত মনোনয়নের ক্ষমতা আর থাকছে না। জাপার মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাকে ক্ষমতা দিয়ে নতুন চিঠিটি কমিশনের বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়েছে। যথাসময়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের তা জানানো হবে।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে জাতীয় পার্টির চূড়ান্ত প্রার্থী কে, সে সিদ্ধান্ত জানানোর এখতিয়ার কাগজে-কলমে ছিল সদ্য সাবেক হওয়া মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদারের হাতে। ২৬ নভেম্বর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ইসিকে লেখা চিঠিতে জানিয়েছিলেন, দলীয় মনোনয়ন ও প্রতীক বরাদ্দের বিষয়ে মহাসচিব (তৎকালীন) হাওলাদারই তার দলের ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি।

তারপর ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত হাওলাদারের প্রত্যয়নেই রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন লাঙ্গলের ২৩৩ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ১৫৫ জন ইসির বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হন। বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হওয়ার পর জাতীয় পার্টির চূড়ান্ত প্রার্থী কে থাকছেন, তা হাওলাদারেরই জানানোর কথা ছিল।

কিন্তু এর মধ্যেই মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠার পর নিজের ‘বিশ্বস্ত ও সন্তানতুল্য’ হাওলাদারকে মহাসচিবের পদ থেকে সরিয়ে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গাকে সোমবার ওই পদে বসান এরশাদ। আকস্মিক এই পরিবর্তনের পর প্রশ্ন ওঠে, ৯ ডিসেম্বরের আগে লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থীদের চূড়ান্ত মনোনয়ন কে দেবেন। সেই প্রশ্নের সুরাহা করতেই বুধবার ইসিতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি বদলের চিঠি পাঠান এরশাদ।

মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা জানান, আমাকে চূড়ান্ত মনোনয়নের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালেই এ সংক্রান্ত চিঠি ইসিতে পাঠানো হয়েছে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ৩৯টি নিবন্ধিত দলের সবগুলোই অংশ নিচ্ছে। দলীয় প্রার্থী প্রত্যয়নে অধিকাংশ দলই একজনকে দায়িত্ব দিয়েছে। কোনো দল সভাপতি বা চেয়ারম্যানকে, কোনো দল সাধারণ সম্পাদক বা মহাসচিবকে ওই দায়িত্ব দিয়েছে। কয়েকটি দল একাধিক ব্যক্তিকে প্রত্যয়নের ক্ষমতা দিয়েছে।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেই দলীয় প্রত্যয়নে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির পদবী, নাম ও নমুনা স্বাক্ষর দিতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনেও তার অনুলিপি দিতে হবে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.