সিলেটটুডে ডেস্ক | ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮
হরতাল অবরোধের মতো ধ্বংসাত্মক এবং জনসাধারণের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হবে বলে নির্বাচনী ইশতেহারে এ ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় পার্টি।
শুক্রবার (১৪ ডিসেম্বর) সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহারে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ইশতেহারে বলা হয়েছে শান্তি ও সহাবস্থানের রাজনীতি প্রবর্তনে সত্যিকারের গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটানো হবে।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী ইশতেহারটি পড়ে শোনান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিশেষ সহকারী ও সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।
জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় এলে প্রাথমিক সমাপনী ও জেএসসি সমমান পরীক্ষা তুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রথম পাবলিক পরীক্ষা এসএসসি। নিবন্ধনকৃত স্কুলের শিক্ষকদের বেতন সরকারি স্কুল শিক্ষকের সমান করা ও টিউশন নির্ভরতা কমানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে ৩০টি আসন সংরক্ষণ করা। সংসদের মোট আসন সংখ্যা হবে ৩৮০টি। এ জন্য সংবিধানে সংশোধনী আনা হবে। চাকরিতে সংখ্যালঘুদের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
ইশতেহারে পল্লী রেশনিং ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। স্বল্পমূল্যে চাল, ডাল, চিনি ও তেল পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। গুচ্ছগ্রাম ও পথকলি ট্রাস্ট পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে ঢাকা শহরের ভাসমান লোকেদের পুনর্বাসন করতে চায়।
দেড় শতাধিক আসনে প্রার্থী দিয়ে কিভাবে এসব সংস্কার সম্ভব? এমন প্রশ্নের জবাবে হাওলাদার বলেন, এবারও সম্ভব। ধরেন আমরা যদি দেড়শ’ আসন পাই, তখন অন্যরাও আমাদের পজিটিভ বিষয়ে এগিয়ে আসবে। উন্নয়নের প্রশ্নে নিশ্চয় কারো দ্বিমত থাকবে না।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে আমরা জনগণের কাছে আরও গ্রহণযোগ্য করতে চাই।
এরশাদের অনুমতিক্রেমই ইশতেহার ঘোষণা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। সিঙ্গাপুরে এরশাদের নানা রকম মেডিকেল পরীক্ষা চলছে। দু'একদিনের মধ্যে ডাক্তারের মতামত পাওয়া যাবে। তারপর এরশাদের দেশে ফেরার তারিখ জানা যাবে বলে জানান করেন হাওলাদার।