ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি | ০১ জানুয়ারী, ২০২৪
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকল শ্রেণীর ভোটারের ভোটাধিকার অবাধ ও নির্ভয়ে প্রয়োগের উদ্দেশ্যে বৈঠক ও অভিযোগ নিষ্পত্তি আয়োজন করা হয়। ওই সভায় উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামকে সভামঞ্চে বসতে না দেওয়ায় তিনি সভা বয়কট করেন।
জানা যায়, সোমবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সভার শুরুতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা প্রিয়াংকা উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলামকে দশর্ক সারিতে বসতে বললে তিনি সভা থেকে বেরিয়ে যান।
উপজেলা চেয়ারম্যান না বসায় তাকে অনুসরণ করে সভাস্থল থেকে বেরিয়ে যান সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য নাহিদ হাসান চৌধুরী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহিনী বেগম, ফেঞ্চুগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তৈয়ফুর রহমান শাহীন, মাইজগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জুবেদ আহমদ চৌধুরী শিপু, ঘিলাছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম মনা, উত্তর ফেঞ্চুগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবজাল হোসেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা প্রিয়াংকা বলেন, এ সভা প্রশাসনের। এখানে কোন রাজনৈতিক জনপ্রতিনিধিকে পাশে রেখে কোন সভা করার সুযোগ নেই। তাই চেয়ারম্যান সাহেব কে নিচে বসতে বলেছি। এটা তার নিছক ভুল বোঝাবুঝি।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম বলেন, আজকে (সোমবার) উপজেলায় দুটি সভা ছিল। দুপুর ২টায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী ও সমর্থকদের নিয়ে সভা করার কথা এবং আড়াই টায় উপজেলার সকল জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ সর্বসাধরণের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মঞ্চে ইউএনও'র পাশে কোনো জনপ্রতিনিধিকে বসতে দেওয়া হচ্ছে না। জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়, কিন্তু সেই জনপ্রতিনিধিদের অবমূল্যায়ন করায় আমি সভা বয়কট করেছি।
তিনি আরও বলেন, শুধু আমি নয়। জেলা পরিষদের সদস্য ও সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সভাস্থল ত্যাগ করেন।