Sylhet Today 24 PRINT

এই ঘৃণ্য কাজটি যারা করেছেন, তারা বিবেককে প্রশ্ন করুন: সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ রিপন মিয়ার

সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক |  ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া। তার সহজ-সরল জীবনযাপন ও হাস্যরাত্মক ভিডিও ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপিয়তা পেয়েছে। নিজেও পরিচিতি পেয়েছেন দেশজুড়ে।

তার ‘এটাই বাস্তব’ বা ‘আই এম রিপন ভিডিও’ এমন ডায়লগ তরুণদের মুখে মুখে উচ্চারিত হয়।

এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন রিপন মিয়া। কয়েকজন টেলিভিশন সাংবাদিক তার বাড়িতে গিয়েকারও অনুমতি না নিয়ে তার পরিবারের ভিডিও করতে থাকেন বলে অভিযোগ রিপনের।

সোমবার ফেসবুকে দেওয়া বকে স্ট্যাটাসে তিনি লিখেন-
‘আমি রিপন মিয়া।
আপনাদের ভালোবাসা ও সাপোর্টে আমি ২০১৬ সাল থেকে দীর্ঘ ৯ বছর ধরে এই স্থানে আসতে পেরেছি। এই সময়ে আমার দ্বারা কারও ক্ষতি করার কোনো রেকর্ড নেই। এমনকি যেকোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটর আমাকে ডাকলে আমি সব সময় সাড়া দিয়েছি।

আল্লাহর অশেষ রহমতে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যখন আমার প্রতি মানুষের ভালোবাসা বাড়তে থাকে, তখন আমার পেজ হ্যাকের চেষ্টা থেকে শুরু করে টিভিতে ইন্টারভিউ না দিলে প্রাণনাশের হু'ম'কি পর্যন্ত দেওয়া হয়।

আজ, সোমবার, ঢাকা থেকে কয়েকজন টিভি সাংবাদিক আমার বাড়িতে এসেছিলেন। তারা কারও অনুমতি না নিয়ে আমার পরিবারকে ভিডিও করতে থাকেন এবং দূরে ক্যামেরা রেখে উল্টাপাল্টা প্রশ্ন করেন। এমনকি পরিবারের মহিলা সদস্য ঘরে থাকা সত্ত্বেও তারা অনুমতি না নিয়ে ঘরে ঢুকে যান।

আমি সবসময় বলে এসেছি যে আমার শিক্ষা নেই, পড়াশোনা করতে পারিনি। স্বাভাবিকভাবে আমার পরিবারের কোনো সদস্যই শিক্ষিত নন এবং কখনোই তারা মিডিয়ার মুখোমুখি হননি। আমি কোনো সময় আমার পরিবারকে ফেসবুকে দেখিয়ে টাকা আয় করতে চাইনি।

টিভি চ্যানেলের নাম চাইলেই আমি প্রকাশ করতে পারতাম। তবে কাউকে ছোট করার উদ্দেশ্য কখনোই আমার ছিল না। এই ঘৃণ্য কাজটি যারা করেছেন, তারা নিজেদের বিবেককে প্রশ্ন করুন। এভাবে টাকা আয় করে নিজের পরিবার ও সন্তানদের খাওয়াতে যদি আপনাদের বিবেক না জাগে, তাহলে আমারও আর কিছুই বলার নেই। সবাই ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া রাখবেন।’

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.