সোশ্যাল মিডিয়া ডেস্ক | ১৭ মার্চ, ২০২৬
জীবনের পড়ন্ত বেলায় সাবেক অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতকে আজীবন সুকৃতির স্বীকৃতিস্বরূপ ‘গুণীশ্রেষ্ঠ’ সম্মাননা দিয়েছিলো সিলেট সিটি করপোরেশন। ২০২৪ সালের মার্চে দেয়া এই সম্মাননার মূল উদ্যেক্তা ছিলেন তৎকালীন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
এই সংবর্ধনা প্রদানের কিছুদিন পরই মারা যান আবুল মাল আবদুল মুহিত। আর আরিফুল হক চৌধুরী আজ নিজেই চারটি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। সিলেট-৪ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যও।
আরিফের মন্ত্রী হওয়ার প্রেক্ষিতে তাঁর উদ্যোগে মুহিতকে দেওয়া সেই সংবর্ধনার কথা স্মরণ করে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন লেখক ও সাংবাদিক মুক্তাদীর আহমদ মুক্তা।
ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের একটি ছুবি যুক্ত করে ফেসবুকে মুক্তা লিখেন-
তখন তিনি এমপি নন, মন্ত্রী নন। অসুস্থ শরীরে আসলেন জন্ম শহর সিলেটে। দলের নেতাকর্মী এমনকি পরিবারের সদস্যদর কাছেও তিনি অনেকটা অবহেলিত। আজ থেকে চার বছর আগে সেই সময়ে সিলেট সিটি করপোরেশন তাঁর আজীবন সুকীর্তির জন্য তাঁকে 'গুণীশ্রেষ্ট' সম্মাননা প্রদান করে। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত ব্যক্তি নিজ শহরে সম্মাননা পেয়ে আবেগে আপ্লুত। তিনি ভাষা সংগ্রামী ও মুক্তিযোদ্ধা, লেখক, গবেষক, সাবেক সচিব ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।
সেদিন তিনি সংবর্ধনার জবাবে তাঁর জীবনের শেষ বক্তৃতা রেখেছিলেন। অসাধারণ শব্দ চয়নে নিজ মাতৃভূমির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে একটি পরিতৃপ্ত জীবন কাটানোর আনন্দ ব্যক্ত করেছিলেন। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র নিয়ে ব্যক্ত করেছিলেন নিজের নানা উপলব্ধি। পড়ন্ত বেলায়, সাবেক একজন মন্ত্রীকে সেদিন সম্মাননা প্রদানের মূল আয়োজক ছিলেন তৎকালীন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। আজ তিনি নিজেই জাতীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। ফেইসবুক মেমোরিতে ছবিটি দেখে সেদিনের আয়োজনের কথা মনে পড়লো। আসলে যে অন্য মানুষকে সম্মান দেয় আল্লাহও তাঁকে সম্মানিত করেন। শ্রদ্ধা। শুভেচ্ছা।