শাকুর মজিদ | ১০ জুলাই, ২০২৬
১০ জুলাই ২০০১, হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী মারা যান। আজ তাঁর ২৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে নিয়ে আমার স্মৃতিচারণ-
স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরীকে আমার এ কারনে খুব মনে পড়ে যে, সেদিন সংসদে যদি তিনি হাস্যচ্ছলে আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ যদি উড়িয়ে না দিতেন, তবে হয় আমাকে জেলে না হয় ঘরব্বন্দি বা পলাতক হয়ে জীবন কাটাতে হতো।
ঘটনা ২০০০ সালের। আওয়ামীলীগ তখন ক্ষমতায়। আওয়ামীলীগের এক এমপির কন্যা ‘লন্ডনী কইন্যা’র চরিত্রেও অভিনয় করেছেন, কিন্তু তারপরও আমার রেহাই নাই।
একটু খুলে বলি। ২০০০ সালের ১ মে তারিখে বাংলাদেশ টেলিভিশন থেকে আমার লেখা একটি নাটক প্রচার হয়। সিলেটের আঞ্চলিক ভাষার নাটক। নাম ‘লন্ডনী কইন্যা’। নাটক প্রচারের আগে নাটকের কিছু প্রেস শো হয়, সেখানে সিলেট ও ঢাকার সাংবাদিকেরা আমার নাটকের ভূয়সী প্রশংসা করে রিভিউ লিখেন। কিন্তু প্রচারের পর সিলেটে বেশ কিছু লোক জোটবদ্ধ হয়ে আমরা চামড়া উঠিয়ে নেবার মতো আন্দোলনে মেতে উঠেছেন। তাঁরা কোর্ট পয়েন্টে সমাবেশ করে, প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আমার শাস্তি চাইছেন, আমার কুশপুত্তলিকা দাহ করছেন এবং আমাকে সিলেটে অবাঞ্চিত ঘোষনা করছেন।
শুধু তাই নয়। আমি দুই দুইটা মামলাও খেয়ে যাই।
৮ মে ২০০২, রবিবার সিলেটের দৈনিক জালালাবাদ পরদিন প্রথম পাতায় নিউজ ছাপে – ১৪ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের, আদালতে লন্ডনী কইন্যা' বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ।
রিপোর্টে লেখা হয়- বিতর্কিত ও সমালোচিত 'লন্ডনী কইন্যা' নাটকের বিরুদ্ধে গতকাল ৭ মে রোববার সিলেটের বিশ্বনাথ প্রথম শ্রেণীর হাকিম আদালতে নাট্যকার শাকুর মজিদ, পরিচালক তৌকির আহমদ, নাটকে জরির ভূমিকায় অভিনয়কারী শমী কায়সার এবং বিটিভি'র পরিচালক সালাউদ্দিন জাকিসহ নাটকের সাথে সংশ্লিষ্ট ১৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা করা হয়েছে (মামলা নং-সি.আর ৩৫/২০০০)। বিশ্বনাথ থানার তাতিকুনা গ্রাম নিবাসী শামসাদুর রহমান রাহিম, (পিতা ইব্রাহিম আলী) এই মামলার বাদী। গতকালই আদালতে শুনানীর পর বিজ্ঞ হাকিম মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
বাদী শমসাদুর রহমান রাহিম মামলার এজহারে আরো বলেন, তিনি সিলেটের অধিবাসী ও তার লন্ডন প্রবাসী শ্বশুরের লন্ডনী প্রবাসী মেয়ের সাথে ইসলামের আকিদা ও রেওয়াজ অনুযায়ী তার বিয়ে হয়। বিয়ের সময় তার লন্ডন প্রবাসী শ্বশুর কোনরূপ টাকা পয়সা বা আর্থিক কোন দাবী-দাওয়া করেননি। বিবাদীগণ একে অপরের সহযোগিতায় - উক্ত কথিত 'লন্ডনী কইন্যা' নাটকটি বিগত ১ মে ২০০০ ইং তারিখে বাংলাদেশ টেলিভিশন রাত ৮ টার বাংলা সংবাদের পর প্রচার করে। বাদীর বিভিন্ন বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও স্বাক্ষীগণ উক্ত নাটকটি বাংলাদেশ টেলিভিশনে দেখে তাকে বিভিন্ন ব্যাঙ্গ-বিদ্রপ করায় তিনি সমাজে হেয় প্রতিপন্ন ও নিন্দিত হয়েছেন, তার মর্যাদা সুনাম বিভিন্নভাবে আঘাত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাদীর লন্ডন প্রবাসী শ্বশুরকে বিভিন্ন লোকজন নাটকটি দেখে বিভিন্নভাবে নিন্দাবাদ করছে, যে কারণে বাদীর লন্ডন প্রবাসী শ্বশুর সমাজে একজন স্বনামধন্য ব্যক্তি হওয়া সত্তেও মিথ্যা বিদ্বেষ ও ঘৃণামূলক নাটকটি প্রচারে তিনি সমাজে হেয় ও ঘৃণার পাত্র হিসেবে চিত্রিত হচ্ছেন এবং তার সুনাম ব্যাহত হয়েছে।
৯ মে ২০০০, মঙ্গলবার আরেকটি মামলা হয় সুনামগঞ্জে। যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ‘সুনামগঞ্জ উপজেলা সমিতি’র সভাপতি ইমানুজ্জামান চৌধুরী মহি এই মামলার বাদী।
বাদির পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সুনামগঞ্জর কয়েকজন আইনজীবী । পত্রিকায় নাম এসেছে যে বাদী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন , এডভোকেট বজলুল মজিদ চৌধুর খসরু, এডভোকেট নানু মিয়া, এডভোকেট নান্টু রায়, এডভোকেট মাসু, এডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ, এডভোকেট জাফরান কুসুম, এডভোকেট ইকবাল হোসেন খান, এডভোকেট শুকুর আলী, এডভোকেট অঞ্জন চৌধুরী এডভোকেট শামসুল করিম হিরণসহ শতাধিক আইনজীবি।
মৌলভীবাজারের এক জাঁদরেল উকিল আছেন, আমার পরিচিত। নাম— তবারক হোসেন। একদিন তিনি আমাকে ফোন করলেন— আমাকে বিনা পারিশ্রমিকে তিনি আইনি সাহায্য দিতে চান। আমি মামলার কাগজপত্র নিয়ে যেন তাঁর সঙ্গে দেখা করি।
সেদিনই ব্রিটিশ হাই কমিশন থেকে ফোন এলো। ফোন করেছেন লীনা চৌধুরী। তিনি জানালেন, আমার দুটি মামলার জন্য আমার পক্ষে কাজ করার জন্য আমি যেন ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে গিয়ে আইনজীবী ড. ক্রিস্টিনা পেরেরার সঙ্গে দেখা করি।
এখন ব্রিটিশ হাই কমিশন আমার জন্য আইনজীবীর সহায়তা দিতে চেয়েছে। আমি সাগ্রহে তা গ্রহণ করি এবং এক সন্ধ্যায় মতিঝিলের চেম্বার বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয় তলায় ড. কামাল হোসেন অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস-এর অফিসে গিয়ে হাজির হই।
এর আগে আমি কোনো উকিলের দপ্তরে যাইনি। এই ধরনের অফিসের কালাকানুন আমার অজানা। রিসেপশনে গিয়ে আমার আগমনের কথা জানালাম এবং মিনিট দশেক পরে আমাকে একজন ভেতরের একটি মিটিং রুমের মতো জায়গায় নিয়ে গেলেন। সেখানে বসে আছেন একজন প্রবীণ আইনজীবী। নাম জহিরুল হক।
আমি একটি ফাইলে করে কয়েকটি পেপার কাটিং নিয়ে গিয়েছিলাম। যদিও আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে পুরো বিষয়টি তাঁর অবগত, কিন্তু তারপরও তিনি আমার কাছ থেকে সব শুনলেন।
এরপর তিনি আমাকে কয়েকটি প্রশ্ন করেন।
প্রথম প্রশ্ন— আপনার নাটকের চরিত্রগুলোর কোনো নাম কি বাদীদের কারও নামে?
আমি বলি— জি না।
দ্বিতীয় প্রশ্ন— বাদীদের কেউ কি আপনার পরিচিত?
জি না।
প্রশ্নপর্ব শেষ। তিনি ফাইল গুটালেন। আমাকে বললেন, আপনি আপনার নিজের কাজে মনোযোগ দেন।
আগামী ২৩ তারিখে একটি শুনানি হবে। আমাদের অফিস থেকে একজন আইনজীবী যাবে সিলেট। কী হয়, আপনাকে জানানো হবে।
আমি ফেরত আসি আমার ঘরে।
অনেক দিন হয়ে গেল, আমি মামলার কোনো খবর পাই না।
পরে একদিন আমি নিজেই ফোন করি ব্যারিস্টার সারা হোসেনকে। তিনি জানান, পরপর দুই তারিখে আমাদের আইনজীবী তারিখ অনুযায়ী আদালতে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু বাদীপক্ষের কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না বলে মামলাগুলো আমলে নেওয়া হয়নি। তামাদি হয়ে যায়। মামলাপর্ব এখানেই শেষ, কিন্তু তার রেশ শেষ হয় না।
সিলেটে আমার বাড়ি। শহরে তেমন জানাশোনা নেই। কিন্তু সিলেটের সাহিত্যকর্মীদের কাছে আমি অপরিচিত থাকার কথা নয়। ১৯৮৪-৮৫ সাল থেকে সিলেটের প্রায় সব সাপ্তাহিক ও সাহিত্যপত্রিকায় আমি ছড়া, কবিতা, গল্প, প্রবন্ধ লিখেছি। একসময় সাংবাদিকতাও করেছি। কিন্তু টের পেলাম, কেবল আল-আজাদ আর অজয় পাল ছাড়া আর কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলছেন না। এঁদের কেউ কেউ ভেতর থেকে আনন্দও হয়তো পাচ্ছেন আমার এই ‘পরিণতি’ দেখে।
আরও অবাক হয়ে দেখলাম, আমার এলাকা বিয়ানীবাজারেও আমার পক্ষে কোনো রা নেই। সবাই ‘স্পিকটি নট’। এই নাটকের শুটিংকালে বিয়ানীবাজারের সকল প্রধান সাংবাদিক, লেখক আর নাট্য ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা সরাসরি উপস্থিত থেকেই নাটকের সকল দৃশ্য উপভোগ করেছেন। এক-একটি দৃশ্য চিত্রায়নের পর হাততালি দিয়েছেন। কিন্তু এখন কেউ মুখ খুলছেন না।
একজনের মুখের কথা উদ্ধৃত করে ‘মানবজমিন’ লিখেছে— “আগে জানতাম উনি একজন ভদ্রলোক। কিন্তু ভদ্রলোক হয়ে নিজ এলাকা নিয়ে এমন ভিত্তিহীন নাটক রচনা করবেন, তা ছিল ধারণার বাইরে। এখন তাঁর বিচার করবে সিলেটবাসী।”
কেবল আজিজুল পারভেজকে দেখি, মাঝে মাঝে আমার খোঁজ নিতে। কিন্তু সেও তখন ঢাকায়। বিয়ানীবাজার থেকে কেউ নেই।
১৪ মে খবর পেলাম জাতীয় সংসদে বিষয়টি উঠেছে। মৌলভীবাজারের এক সংসদ সদস্য স্পিকারের কাছে ‘লন্ডনী কইন্যা’ নাটকটির ওপর নিন্দা প্রস্তাব আনতে চাইছেন। তিনি বলেছেন, এই নাটকটি যেন বাজেয়াপ্ত করা হয়—এ নিয়ে বিল পাশ করতে।
স্পিকার জানিয়েছেন, তিনি নাটকটি দেখে পরবর্তী সভায় সিদ্ধান্ত দেবেন।
আমি এখন কী করি!
ঘাড়ের ওপর মামলা দুইটা। এখন আবার এই জিনিস!
সন্ধ্যায় গেলাম আমাদের এমপি পান্না কায়সারের কাছে। পান্না কায়সার আমাদের নায়িকামাতাও। আমি আগে থেকেই তাঁর সঙ্গে পরিচিত। নানা কারণে এই বাসায় আমারও যাওয়া-আসা।
তাঁর কন্যা আমাকে ‘ভাই’ বলে, আমি তাঁকে আন্টি ডাকি।
তিনি সব শুনলেন এবং কপালের রেখায় ভাঁজ তুলে বললেন, সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাশ হয়ে গেলে খারাপ হবে। দেখি কী করা যায়।
তিনি বললেন, বিএনপি-জামায়াত মিলে সরকারকে চাপে ফেলতে চাইছে। নাটকটির স্ক্রিপ্ট তিনি আগেই পড়েছেন, নাটক দেখেছেনও। কিন্তু তাঁর কাছে কখনই মনে হয়নি এমন কিছু।
চলে আসি প্রায় হতাশ হয়ে।
বিটিভি থেকে খবর পেলাম। তাঁরা মূল বেটাক্যাম থেকে কপি করছে। স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী এই নাটক দেখতে চেয়েছেন।
বিটিভি পড়েছে ঝামেলায়। টেনশন তাঁদেরও আছে। কী করে এই নাটক প্রিভিউতে পাশ হলো—এই নিয়ে তাঁদেরকে যদি সরকার ধরে, কী জবাব দেবে!
এমনিতে দুইটা মামলা হয়ে গেছে এই নাটক নিয়ে। একটা সুনামগঞ্জে, আরেকটা সিলেটে। দুই মামলাতেই বিটিভির মহাপরিচালক সালাহউদ্দিন জাকিকে আসামি করা হয়েছে। যদিও এই নাটক প্রচারের ক্ষেত্রে মহাপরিচালকের কোনো ভূমিকাই ছিল না। ছিল উপ-মহাপরিচালক (অনুষ্ঠান) মোস্তফা কামাল সৈয়দের। নাটকটি তিনি দেখেছিলেন এবং পরে আমাকে বলেও ছিলেন যে, তাঁর মনে হয়েছিল এ নিয়ে সমস্যা হতেও পারে। কিন্তু এর কন্টেন্ট এত সমৃদ্ধ যে তিনি কোনো সংশোধন না দিয়েই নাটকটি ছেড়ে দিয়েছিলেন।
এই নাটকের ভেটিংয়ের আরেকটি জায়গা ছিল। আমার প্রথম পাণ্ডুলিপিতে ছিল যে, শেষ দৃশ্যে মেয়েটা তার ব্রিটিশ পাসপোর্ট ছুড়ে মারবে লন্ডনযাত্রাপ্রত্যাশী বরদলের দিকে। কিন্তু তাতে ব্রিটিশ পাসপোর্টের অবমাননা হয়—এই আশঙ্কায় এ জায়গাটি আমি বদলে দিই। সেখানে পাসপোর্টটি রেখেই সে চলে যায়।
সংকট পাসপোর্ট নিয়ে ছিল না, সংকট হয় মেয়েটা কেন নন-সিলেটি ছেলের সঙ্গে যাবে। আর একথা প্রকাশ্যে না বলে অন্য যে যুক্তি দেখানো হচ্ছে, তা কোনো সুবুদ্ধির মানুষ গ্রহণ করতে পারে না।
এই নাটক এর আগে সিলেট ও ঢাকায় যারা দেখেছেন, সকলেই প্রশংসা করেছেন। এখন কিছু লোক কী কারণে বিরোধিতা করছে, তা নিয়ে তেমন কাউকে মুখ ফুটে কথা বলতে দেখি না।
সিলেটের কোর্ট পয়েন্ট ছেড়ে আন্দোলন গিয়ে ঠেকেছে সংসদ ভবনে। রাজনীতির ফায়দা লুটছে কিছু লোক। কিন্তু আমার ধারণা, যারা কিছু লোকের কথায় নাচছে, তারা কেউই সচেতনভাবে নাটকটি দেখেনি। স্পিকার এই কারণে নিজে নাটক দেখতে চেয়েছেন। দেখে তিনি রায় দেবেন।
কিন্তু সিদ্ধান্ত দিতে গিয়ে স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী দিলেন আরেক নাটকীয় রায়। তিনি হাসতে হাসতে বলেন—শাকুর মজিদ লিখেছেন লন্ডনী কইন্যা, আপনারা আরেকটি লিখেন—লন্ডনী জামাই। নাটকে নাটকে কাটাকাটি। হাসির রোল পড়ে গেল সংসদে। ব্যাপারটা এখানেই শেষ হয়ে গেল।
স্পিকার হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী ব্যক্তিগতভাবে আমাকে চিনতেন। ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে আমি আলিয়াস ফ্রঁসেজে ‘ট্রাভেলার্স ক্লিক্স’ নামে যখন আমার দ্বিতীয় একক আলোকচিত্র প্রদর্শনী করি, সেটার প্রধান অতিথি হয়ে উদ্বোধন করেছিলেন। তাঁর অনুমতি নিয়ে আমি সংসদ ভবনের ভেতরের ছবি তুলি। এখন এটা মনে করে তিনি আমার বিপক্ষে রায় দেওয়ার আগে নিশ্চয়ই চিন্তা করবেন।
কিন্তু ঘটনাটা এত সহজ ছিল না। সহজ করে দিয়েছিলেন স্পিকারের কন্যা নাসরিন চৌধুরী। তাঁর দেখার আগেই কন্যা দেখে ফেলে বাবাকে বলেন—এটা খুবই ভালো নাটক। লেখাটা ঠিক আছে। এটা শুনে স্পিকার আর নাটক দেখেননি। সংসদে বলে দিলেন—আপনারা লন্ডনী জামাই বানান।
এর পরি ধীরে ধীরে স্থিমিত হয়ে যায় সবকিছু আর আমি ‘অবাঞ্চিত’ ঘোষণা প্রত্যাহারের খবর না পেয়েই আস্তে আস্তে সিলেট যাওয়া শুরু করি।
এ নিয়ে আমার একটা সিরিজ কন্ট্যান্ট আছে। হুমায়ূন রশিদ চঊধুরীকে নিয়ে ছিলো এই পর্ব।
(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)
শাকুর মজিদ : লেখক, নির্মাতা, স্থপতি।