সিলেটটুডে ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৩৩

সালমানের স্টুডিওতে হামলা: জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকতে পারে: পুলিশ

ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ইসিবি চত্বরের নিউগ্রিনি প্রপার্টিজে গভীর রাতে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মো. মাহিদুল ইসলাম।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) নিউগিনি প্রপার্টিসে ভাঙচুরের ঘটনায় ঘটনাস্থলে এক সংবাদ সন্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

মাহিদুল ইসলাম বলেন, গতকাল রাতের ঘটনায় কিছু লোক দলবদ্ধভাবে এখানে ভাঙচুর করেছে। এই ভাঙচুরের ঘটনায় ইমিডিয়েটলি পুলিশের ক্যান্টনমেন্ট থানার অফিসার ইনচার্জ, ইন্সপেক্টর তদন্ত, ইন্সপেক্টর অপারেশন এবং অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা দ্রুত এসে ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। রাতেই অপারেশন চালিয়ে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করে। তিনজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করেছি। এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান। এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনতে পারব।

আপনার কি মনে হচ্ছে না রাজধানীটা একটা লুটের এবং দখলের শহরে পরিণত হয়েছে? নিউগিনি, রাড্ডা হাসপাতাল, মোহাম্মদপুর... একের পর এক চলছেই। এমন এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এখানকার যে ঘটনা, আমি এই ঘটনাটায় পুরো টিম নিয়ে পরিদর্শনে এসেছি, তদন্ত করেছি। প্রতিটি ঘটনা ঘটলেই সেটা ইমিডিয়েটলি সেটা ডিটেকশন করেছি।

হামলাকারীদের পরিচয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা এখনও বিষয়টাই আন্ডার ইনভেস্টিগেশনে আছি। দলবদ্ধভাবে লোকজন এসেছে, সে কারণে আমরা তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছি। তিনজনের একজনের নাম হচ্ছে মামুন, তার বাড়ি গফরগাঁও। সে ভাষানটেক বস্তিতে থাকে। একজনের নাম আসলাম, তার বাড়ি টাঙ্গাইল। সে অটোচালায়। আরেকজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি, তার নাম মুন্না। সে ভাষানটেক বস্তিতে থাকে।

হামলার কারণ জানতে চাইলে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করে, হয়তো আরও তথ্য পেলে আপনাদের সুস্পষ্ট করে বলতে পারব।

গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে কি তথ্য পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে যেটা, এটা হচ্ছে একটা হাউজিং বিজনেস এবং এখানে এতগুলো লোক একসঙ্গে আসা, দলবদ্ধভাবে এসেছে এবং রাতের বেলা। সে কারণে হয়তো জমিকে কেন্দ্র করে, জমির দখল-বেদখলকে কেন্দ্র করে বিবাদ থাকতে পারে। এটি যেহেতু ইনভেস্টিগেশনে আছে, আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। আমরা আন্ডার ইনভেস্টিগেশনে আছি, ইনভেস্টিগেশনটা শেষ হলেই জানতে পারব।

বিবাদটা কার সঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সুস্পষ্টভাবে সেটা এখনই বলতে পারছি না।

চাঁদার দাবিটা কি সালমান মুক্তাদিরের কাছ চাওয়া হয়েছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো তথ্য আমাদের কাছে এই মুহূর্তে নেই। আমাদের কাছে প্রাথমিকভাবে মনে হয়েছে, এটা জমিকে কেন্দ্র করে বিবাদমান গ্রুপের মধ্যে হয়তো হতে পারে। আমরা প্রপার ইনভেস্টিগেশন করলেই জানতে পারব।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত