১৫ মার্চ, ২০২২ ২৩:২০
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার নলজুর নদীকে খাল বানিয়ে নদী খননের ঘটনায় নাগরিকরা ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ সন্মেলন কক্ষে এ বিষয়ে নাগরিকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আতাউর রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান বিজন কুমার দেব, কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী ইসরানুল ইসলাম, উপ সহকারী প্রকৌশলী হাসান গাজী, জগন্নাথপুর ব্রিটিশ বাংলা এডুকেশন ট্রাস্টের ট্রাস্টি যুক্তরাজ্য প্রবাসী কমিউনিটি নেতা এম এ কাদির,নাগরিক ফোরাম আহ্বায়ক নুরুল হক, প্রেসক্লাব সভাপতি শংকর রায়, প্রথম আলোর জগন্নাথপুর প্রতিনিধি অমিত দেব,শিক্ষক সাইফুল ইসলাম রিপন,প্যানেল মেয়র সাফরোজ ইসলাম, কাউন্সিলর সফিকুল হক, সুহেল আহমেদ, কৃষ্ণ চন্দ প্রমুখ।
সভায় বক্তারা নলজুর নদী অপরিকল্পিতভাবে খননে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, নলজুর নদী দিয়ে এক সময় লঞ্চ, ষ্টিমারসহ বড় বড় নৌযান চলতো।এখন অপরিকল্পিত খননে খাল বানিয়ে নদীর নাব্যতা নষ্ট করা হচ্ছে। নাগরিকরা অপরিকল্পিত নদী খনন বন্ধ করে নকশা অনুযায়ী নদী খননের দাবি জানান।
জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজেদুল ইসলাম জানান, প্রকল্পটি গ্রহণকালে ভুল করা হয়েছে। এখন মাত্র ১৩০০ মিটার কাজ অসমাপ্ত রয়েছে। আমি প্রাক্কলন অনুযায়ী কাজ বাস্তবায়নের বিষয়টি নিশ্চিতে কাজ করছি। তিনি বলেন এ বিষয়ে নাগরিকদের মতামত আমি সংশ্লিষ্টদের জানাব।
উল্লেখ্য গত বছরের জানুয়ারি মাসে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নেশন টেক লিমিটেড সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খনন কাজ শুরু করে। ১৩ এপ্রিল কাজ ফেলে ঠিকাদার পালিয়ে যায়। এসময় বিল তুলে নেয় ২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। বর্তমানে ৫ মার্চ থেকে ৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দে ১৩০০ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৩৩ ফুট প্রস্তে খনন কাজ শুরু করে। এবার প্রাক্কালে খননকৃত মাটি সরিয়ে নেওয়ার কথা রয়েছে।
আপনার মন্তব্য