২২ আগস্ট, ২০২২ ২৩:৫৭
ফয়সাল আহমেদ সৌরভের আত্মহত্যার ঘটনায় সুদ ব্যবসায়ী রফিক ও শফিককে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি ও সুদ ব্যবসা বন্ধের দাবিতে সোমবার দুপুরে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর বাজারে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
তাহিরপুরের সর্বস্থরের নাগরিকের আয়োজনে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমদ মোরাদ,রুহুল আমিন,হোসাইন শরীফ বিপ্লব, ইউপি সদস্য তোজাম্মিল হক নাসরুম,শাহ জাহান,আলী নেওয়াজ,এমদাদ হুদা,নিহতের ভাই কয়েস আহমেদ,সোহান আহমদ,বিরাজ রঞ্জন চৌধুরী প্রমুখ।
এসময় উপস্থিত বক্তাগন বলেন,সুদের ব্যবসায় নিষিদ্ধ এরপরও সুযোগ বুঝে সুদ ব্যবসায়ীরা অসহায় মানুষের দূবলতার সুযোগ নিয়ে তাদেরকে সুদের জালে জড়িয়ে ধংস করে দেয়।
সমাজে বাল্য বিয়ে হলে সবাই পুলিশ ও প্রশাসনকে জানায় এতে করে বাল্য বিয়ে কমে এসেছে তেমনি সবাই ঐক্য বদ্ধ হয়ে সুদ কারবারিদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ঘরে তুললে,পাশাপাশি প্রশাসন কঠোরভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করলে সুদের ব্যবসা বন্ধ হবে। সৌরভ আত্নহত্যা করে নি তাকে ঐ সুদ ব্যবসায়ীরা হত্যা করেছে তারা যদি সুদের টাকার এজন্য ভয়ভীতি,হুমকি ও নানান ভাবে মানুষিক চাপ না দিত তাহলে এভাবে সৌরভ আত্নহত্যা করত না।
নিহতের ভাই কয়েস আহমেদ ও সোহান আহমদ বলেন, সুদ কারবারি রফিক ও শফিককে পুলিশ গ্রেপ্তার করতে পারে নি। আমার ভাইকে যারা মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়ে কবর বাসী করেছে আর তারা এখনও পৃথিবীর আলো বাতাশে ঘোরে বেড়াচ্ছে। তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে কঠিন শাস্তি দাবী করছি। আর কেউ যেন আমার ভাইয়ের মত কাউকে এভাবে মরতে না হয়। আমার চার মাসের ভাতিজির মত কোন শিশু তার বাবাকে আর না হারাতে না হয়।
উল্লেখ্য, সুদ ব্যবসায়ী রফিক মিয়া এবং শফিক মিয়ার হুমকিতে ও চাপে ফয়সাল আহমেদ সৌরভ বৃহস্পতিবার(১৮আগষ্ট) দিশেহারা হয়ে পড়ে রফিক মিয়া ও শফিক মিয়াকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে লিখে আত্মহত্যা করেন। এই ঘটনায় সৌরভের পিতা বাদী হয়ে রফিক মিয়া ও শফিক মিয়াকে প্রধান আসামী করে অজ্ঞাত আরও ৩/৪জনকে আসামি করে শুক্রবার দুপুরে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করে।
আপনার মন্তব্য