তাহিরপুর প্রতিনিধি

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ২৩:৪৬

কড়ইগড়া-কিয়ামতপুর সেতু নয় যেন মরণফাঁদ

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কড়ইগড়া-কিয়ামতপুর সেতুটি মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে। কিন্তু মেরামতের কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। যার ফলে এই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী মোটরসাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনে চলাচল করছে হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

সেতুটি উপজেলা উত্তর বড়দল ইউনিয়নের বারেকটিলা ও মাহারাম নদীর সড়কের মধ্যে কিয়ামতপুর গ্রামে অবস্থান। এই সড়ক দিয়ে তিনটি শুল্ক বন্দর, লাকমাছড়া, শহিদ সিরাজ লেক ও ময়মনসিংহে যাতায়াত করে ব্যবসায়ী ও পর্যটকগণ।

সেতুটি মেরামতের জন্য ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সাবেক সংসদ সদস্যদের কাছে বারবার আবেদন করেও কোনো সুফল পাননি এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই সড়কটিও ভাঙাচোরা আর ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে প্রতিদিন হাজারের বেশি মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যানগাড়ি চলাচল করে। এসব যানবাহন চলাচল করছে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। যেকোনো সময় সেতুটি ভেঙে গিয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে। ইতোমধ্যে অনেকেই আহত হয়েছেন, মারাও গেছেন। সেতুটির পূর্ব পাশ দিয়ে চলাচলের জন্য একটি চাটাই দিয়ে সেতু নির্মাণ করে দিলে জনগণের চলাচলে সুবিধা হবে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, যাদুকাটা সেতুর পশ্চিম পাড় হতে শহিদ সিরাজ লেক পর্যন্ত মাহারাম সেতু ও কড়ইগড়া কিয়ামতপুর সেতু টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

উত্তর বড়দল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুক মিয়া জানান, কড়ইগড়া কিয়ামতপুর সেতুটি নির্মাণ কাজের টেন্ডারও হয়ে গেছে। জনদুর্ভোগ লাগবে কাজটি যাতে দ্রুত শুরু করে তার জন্য জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে বিকল্প সড়কও তৈরি করে দেয়ায় জন্য দায়িত্বশীলদের সাথে কথা বলব।

উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রকৌশলী জহিরুল ইসলাম জানান,যাদুকাটা সেতুর পশ্চিম পাড় থেকে শহিদ সিরাজ লেক পর্যন্ত মাহারাম সেতু ও কড়ইগড়া কিয়ামতপুর সেতু টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আমরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বলে দিয়েছি কড়ইগড়া কিয়ামতপুর সেতুর কাজটি গুরুত্ব দিয়ে আগে শুরু করতে। এছাড়াও জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে বিকল্প সড়ক করে দেয়ার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত