ইয়াকুব শাহরিয়ার, শান্তিগঞ্জ

০৯ অক্টোবর, ২০২৪ ১৭:১৬

শান্তিগঞ্জে অপরিকল্পিত সড়কে হাওর নষ্টের শঙ্কা!

গত দু’বছর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত ছিলো পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে হাওরের উপর দিয়ে আর কোনো সড়কপথ নির্মাণ করা হবে না। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো তৎকালীন সরকার। আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে একটি সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো।

গত বছরের ১৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক (বেন)-এর বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠানে হাওরের বুকের উপর আর কোনো সড়ক নির্মাণ করা হবে না বলে গণমাধ্যমকে কড়াকড়িভাবে জানিয়েছিলেন তৎকালীন সরকারের পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান। কিন্তু একই বছরের জুন মাসের শেষের দিকে এম এ মান্নানের গ্রাম শান্তিগঞ্জের ডুংরিয়া থেকে দু’টি হাওরের বুক ছিড়ে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে পৃথক সড়ক নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিলো।

প্রকল্পের একটি অংশ ডুংরিয়া গ্রামের শিবপুর থেকে নাগডরা হাওর হয়ে পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের পাগলা-বীরগাঁও সড়কের গিয়ে সংযোগ হওয়ার কথা। অপরাংশ ডুংরিয়া হাইস্কুল এন্ড কলেজের সামন থেকে জয়কলস গ্রামে গিয়ে সংযুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। এক প্রকল্পে দুই অংশের কাজ সম্পন্ন করতে অর্থায়ন করেছে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)।

ইতোমধ্যে নাগডরা হাওরের বুক ছিঁড়ে ডুংরিয়া-পাগলা সড়কের মাটি কাটার অধিকাংশ কাজ শেষ করেছে ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেমস্ এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্পটি জেমস্ এন্টারপ্রাইজের নামে হলেও চুক্তিতে মাটি কাটার কাজ নিয়েছিলেন আওয়ামীলীগের লোকজন। যদিও এ বছরের বন্যা সড়কের বেশিরভাগ মাটি ধুয়ে নিয়ে গিয়েছে তবে বন্যা কারণে বন্ধ রয়েছে চলমান প্রকল্পের কাজ।

একদিকে যেমন এই সড়ক সংলগ্ন এলাকাবাসী প্রকল্পটির বাস্তবায়ন চান না, অপরদিকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর থেকে প্রকল্পটির পূর্ণ বাস্তবায়ন নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। এদিকে, ডুংরিয়া-জয়কলসের রাস্তার কাজ এখনো শুরুই হয়নি। নাগডরা হাওরের বুকের উপর দিয়ে নির্মাণাধীন এই সড়ককে অনেকটা অপ্রয়োজনীয়, অপরিকল্পিত, ফসলের জন্য চরম ক্ষতিকর, মৎস্য সম্পদ বিনষ্ট হওয়ার অন্যতম কারণ হবে মনে করছেন এলাকাবাসী।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয় সূত্র জানা যায়, ২০২৩ সালের জুন মাসের শেষের দিকে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার কার্যাদেশ পায় ঢাকাস্থ মোহাম্মদপুরের ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স জেমস্ এন্টারপ্রাইজ। যার স্বত্বাধিকারি মো. ইউসুফ আলী। কার্যাদেশ পাওয়ার আট মাসের মধ্যে অর্থাৎ চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির দিকে কাজ শেষ করার কথা ছিলো।

পাগলা-ডুংরিয়া অংশে ১ হাজার ৮শ’ ৮৫ মিটার এবং ডুংরিয়া-জয়কলস অংশে ১ হাজার ৭শ’ ৩০ মিটার। মোট ৩.৬১ কিলোমিটার কাজ শেষ করতে ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ১৬ হাজার ৭৪৬ টাকা অর্থায়ন পায় প্রতিষ্ঠানটি। সেই হিসেবে নাগডরা হাওরের প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কের আনুমানিক নির্মাণ ব্যয়  দেড় কোটি টাকারও বেশি।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মেসার্স জেমস্ এন্টারপ্রাইজের কাছ থেকে ৩ আওয়ামীলীগ নেতা কাগজে-কলমে মাটি কাটার কাজটি চুক্তিতে নিয়েছিলেন। মেসার্স একতা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম শিপন, যুবলীগ নেতা মো. মতিউর রহমান ওরফে মতি এবং মো. সাজ্জাদ মিয়া। তবে কাগজে কলমে তিনজনের নাম থাকলেও মৌখিকভাবে আরও দু’একজন সংশ্লিষ্ট থাকার কথা অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের একাশংশ, হোসেনপুর, নিদনপুর, ছোনানপুর গ্রামের অন্তত অর্ধশত মানুষের সাথে কথা বলেন এই প্রতিবেদক। তাঁরা জানান, পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নবাসীর জন্য এই সড়কটি একেবারেই উপকারে আসবে না। বরং এই ইউনিয়নের শস্য ভাণ্ডার ও  মৎস্য সম্পদের অভয়ারণ্য খ্যাত গুরুত্বপূর্ণ একটি হাওর (নাগডরা) চিরতরে নষ্ট হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে।

বর্ষায় পানি আটকে গিয়ে ইউনিয়নের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হবে প্রতি বছর। এ বছরের বন্যায় এর কুফল ভোগ করেছেন এলাকাবাসী। যেসব গ্রাম এর আগে বড় ধরণের বন্যা ছাড়া খুব একটা প্লাবিত হয়নি, এবছর সেই গ্রামগুলোও প্লাবিত হয়েছে। হাওরের পানির প্রবল প্রবাহ আটকে দেয় এই সড়ক। এর ফলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় পানি আটকে থেকে পানির সাথে মিশে আসা পলিতে ক্রমশ ভড়ে উঠবে নাগডরার বোরো জমি। বিঘ্নিত হবে বোরো ধান চাষ। পানির প্রবাহ বন্ধ থাকার কারণে পানির সাথে ভেসে আসা কচুরিপানা, বনজ আগাছা ইত্যাদি পড়ে থাকবে জমিতে। এতে ফসলি জমি হারাবে তার স্বকীয়তা। এছাড়াও, থমকে থাকা পানিতে বর্ষাকালে দেশি মাছের অবাদ বিচরণে বাঁধাগ্রস্ত হওয়ার কারণে ব্যহত হবে মৎস্য আহরোণের কাজ। অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বেন শতাশতি জেলে। নিঃস্ব হতে পারেন কৃষকেরা। এমন দূর্বিষহ শঙ্কা থেকে আগাম মুক্তি চান স্থানীয়রা। পাশাপাশি পশ্চিমপাড়া এলাকার হোসেনপুর পয়েন্ট থেকে সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে সদরপুর এলাকায় এসে যে বেরিবাঁধটি সংযুক্ত হয়েছে সেটি আরও উঁচু করে নির্মাণ করা হলে সকলের জন্য খুবই উপকারী বলে মনে করেন সাধারণ কৃষকেরা।

অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাধারী প্রতিষ্ঠান থেকে চুক্তিভিত্তিতে মাটি কাটার কাজ করিছিলেন স্থানীয় কিছু আওয়ামীলীগ নেতা-পাতিনেতা। দলের প্রভাব খাটিয়ে অনুমতি না নিয়েই রাতের আঁধারে জমির উপর দিয়েই মাটি কেটে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে ওইসব নেতাদের বিরুদ্ধে। ব্রাহ্মণগাঁও গ্রামের বাসিন্দা নিবু দাসের ২১ শতক জায়গা ছিলো নাগডরা হাওরে। তাঁকে কোনো কিছু না বলে রাতের আঁধারে তাঁর জমির উপর দিয়ে মাটি কেটে রাস্তা নিয়ে আসার অভিযোগ আছে ওইসব নেতাদের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর ধারণা, বিশেষ কিছু মানুষকে সুবিধা দিতে, একটি অঞ্চলকে লাভবান করে তুলতে দুরভিসন্ধি চিন্তার ফসল ছিলো এই প্রকল্প।

নিবু দাসের ছেলে রিপন দাস বলেন, নাগডরায় আমাদের মাত্র ২১ শতাংশ জায়গা ছিলো। এই একখণ্ড জমিই আমাদের সম্বল ছিলো। রাজনৈতিক জোর খাটিয়ে আমাদের জমির উপর দিয়ে রাতের আঁধারে মাটি কেটে নিয়ে যায়৷ উভয়পাশ থেকে এমনভাবে মাটি তুলেছে যে বাকী অংশটুকুও নষ্ট হয়ে গেছে। এখন যা আছে তা ব্যবহার অনুপযোগী। খবর পেয়ে যখন জমিতে গেলাম তখন ক্ষমতার দম্ভে আমরা কাছেই ভিড়তে পারিনি। স্থানীয় মুরব্বিরা বলেছিলেন, জমি ভরাট করে দেওয়ার জন্য কিন্তু তারা তা করেনি।

এদিকে, পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের বেশ কিছু মানুষের সাথে কথা হলে নির্মাণাধীন এই সড়কটি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানান তারা। তারা জানান, পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে ডুংরিয়া হয়ে শান্তিগঞ্জ সদরে যেতে পারবেন। কিন্তু পাগলা হয়ে শান্তিগঞ্জ যাওয়া আর ডুংরিয়া হয়ে শান্তিগঞ্জ যাওয়া একই কথা। ইউনিয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ও বড় বড় সড়ক নির্মাণ করার মতো সড়ক রয়েছে। এই সড়ক নির্মাণ হলে ভালো, তবে খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইউনিয়নবাসীর যাতায়াতের জন্য একটি ভালো সড়ক (পাগলা-বীরগাঁও) ইতোমধ্যে আছে। আরও গুরুত্বপূর্ণ যেসব সড়ক রয়েছে সেসব সড়কের কাজ করা উচিৎ ছিলো। তাছাড়া হাওরের বুকের উপর দিয়ে সড়ক করায় বীরগাঁও এবং পাগলার হাওরের খুব বেশি ক্ষতি হবে। পানির দ্রুত প্রবাহও বন্ধ হয়ে যাবে। হাওরের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার শঙ্কা থেকেই যাবে।

পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা সলিব নূর বাচ্ছু ও শিপাউর রহমান শিপার বলেন, হাওরের বুকের উপর দিয়ে সড়ক নির্মাণ করার চেয়ে আরো গুরুত্বপূর্ণ কাজ আমাদের ইউনিয়নে রয়েছে। সেগুলো করার দরকার ছিলো। এই সড়ক নির্মাণ হলে আমাদের হয় তো কিছু উপকার হবে, সহজে শান্তিগঞ্জে যেতে পারবো কিন্তু এর জন্য তো ইতোমধ্যে একটি ভালো সড়ক আমাদের আছে। প্রয়োজনে এই সড়কটিকে আরো বড় করা যেতে পারতো। আমাদের গ্রামের বেশ কিছু কাজ আছে সেগুলো করা যেতে পারতো। উন্নয়ন হোক, আমরা উন্নয়নের পক্ষে তবে যেটা বেশি জরুরি সেটা আগে হওয়া দরকার। বিশেষ মানুষকে সুবিধা দিতে তুলনামূলক কম দরকারি কাজকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া কখনোই কাম্য নয়।

পশ্চিম পাগলা ইউনিয়নের বাসিন্দা মুজিবুর রহমান, ইউপি সদস্য খলিলুর রহমান খলিল, জমির মালিক আমিনুর রহমান বলেন, আমাদের জমি নষ্ট করে আমাদেরকে না বলেই অপরিকল্পিতভাবে জোর করে রাস্তা করে নিতে চেয়েছিলো। আমরা বাঁধা দিয়েছি। মাটি কাটার এক্সেভেটরের চাবি পর্যন্ত নিয়ে এসেছিলাম। এ নিয়ে একটি সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। পরে আমরা একটি মামলা দায়ের করেছি। আমাদের জমির উপর দিয়ে একটি অপ্রয়োজনীয় সড়ক নির্মাণ করতে চাচ্ছে। কীসের স্বার্থে? কিছু পাতি নেতা আর চামচাদের সুবিধা দিতে হাজার হাজার কৃষকের হাওরের ফসলি জমি হুমকির মুখে ফেলে কিসের রাস্তা? উন্নয়ন করতে হবে পরিকল্পনা মাফিক। স্বৈরাচারের ক্ষমতা খাটিয়ে, নিজেদের চেলা চামুণ্ডাদের সুবিধা দিতে এসব প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিলো। বর্তমানে কাজটি বন্ধ আছে। অপ্রয়োজনীয় এই সড়ক আমরা চাই না। হাওরের উন্নয়ন চাই। তাঁদের কথার সাথে সুর মিলান কৃষক আবু মিয়া, হুশিয়ার আলী, মাও. খলিলুর রহমান, আমিনুল ইসলাম, আলী হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন ও সাইফুল ইসলামসহ সড়ক সংলগ্ন চার থেকে পাঁচ গ্রামের অর্ধ শতাধিক মানুষ। তারা বলেন, এই সড়কের প্রয়োজনীয়তা খুব কম। হোসেনপুর পয়েন্ট থেকে সদরপুর পর্যন্ত যে বাঁধ গিয়েছে তার প্রয়োজন আছে। কিন্তু তৎকালীন সরকার এই কাজটি করেননি। হাওর নষ্ট করতে হাওরের বুকের উপর দিয়ে রাস্তা তৈরির পরিকল্পনা আঁটা হয়েছে। ফসলী জমি, মৎস্য অভয়ারণ্যসহ সব কিছু নষ্ট হবে। কৃষক, জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়বেন।

মেসার্স একতা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী ও সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম শিপন ইংল্যান্ডে অবস্থান করায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। মতিউর রহমান ওরফে মতির মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। মো. সাজ্জাদ মিয়ার মুঠোফোন একাধিকবার কল ঢুকলেও বুধবার বিকাল ৩টা পর্যন্ত তিনি কল রিসিভ করেন নি।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি নতুন এসেছি। প্রকল্পটির বিষয়ে তেমন কিছু জানি না। আমাদের কাজ প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম হচ্ছে কি না সেটা দেখাশোনা করা। প্রকল্প কোন দিকে যাবে, স্টার্টিং, ইন্ডিং কিংবা কোন গ্রাম টাচ্ করবে সেটা বলে দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এমপি, মন্ত্রী। লোকেশনটা আসে পলিটিক্যালি৷ এটাই সিস্টেম।

 জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)’র সুনামগঞ্জ অঞ্চলের প্রকৌশলী শাকিল বলেন, প্রকল্পগুলোর প্রস্তাব মূলত রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে করা হয়। অনুমোদন দেন মন্ত্রী সভা। তদারকির দায়ীত্ব পালন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়। মেজারমেন্ট অনুযায়ী অর্থের ছাড় দেয় জাইকা। আমরা প্রকল্পের কনসাল্টেন্ট হিসেবে থাকি। রাজনৈতিক নেতা ও স্থানীয় সাংসদদের দেখানো জায়গাতেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। আমাদের কাজ হচ্ছে প্রকল্পের তদারকি করা।

হাওর বাঁচাও আন্দোলনের কেন্দ্রিয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজন সেন রায় বলেন, যেসব প্রকল্পের কারণে হাওর এবং কৃষকের ক্ষতি হয় আমরা সেসব প্রকল্পের পক্ষে নয়। যদি এই প্রকল্পের জন্য হাওর ক্ষতির মুখে পড়ে তাহলে আমরা এর প্রতিবাদ করবো। উন্নয়ন হোক, তবে হাওর আর কৃষকের ক্ষতি করে নয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত