নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ অক্টোবর, ২০২৪ ১৬:১৮

এবার রাজনৈতিক মামলার আসামি সাংবাদিক জাহিদ

সিলেটে ফের রাজনৈতিক মামলায় আসামি করা হয়েছে এক সাংবাদিককে। গত ৪ আগস্টে ছাত্র জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগে দায়ের করা এই মামলার বাদী নগরীর পীর মহল্লার বাসিন্দা আব্দুল মতিন।

মামলায় ‍সাবেক সিসিক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, মহানগর যুবলীগ সভাপতি আলম খান মুক্তি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহসভাপতি পীযূষ কান্তি দে, ‍সিসিক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ লায়েক, বিক্রম কর সম্রাটের সাথে আসামি করা হয়েছে সাংবাদিক জাহিদুল ইসলামকেও। গত ১৮ অক্টোবর দায়ের করা এ মামলায় ৫৫ নম্বর আসামি করা হয় তাকে (কোতয়ালি থানার মামলা নং -২০)।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ৪ আগস্ট নগরীর জিন্দাবাজারে ছাত্রজনতার মিছিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে অন্যান্যদের সাথে আহত হন বাদী আব্দুল মতিন।

এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সিসিকের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে। এছাড়া মহানগর যুবলীগ সভাপতি আলম খান মুক্তি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহসভাপতি পীযূষ কান্তি দে, ‍সিসিক কাউন্সিলর আবুল কালাম আজাদ লায়েক, বিক্রম কর সম্রাটসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। মামলার মোট আসামি ৫৫ জন। মামলার ৫৫ নম্বর আসামি হিসেবে সাংবাদিক জাহিদুল ইসলামে’র নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আকবর হোসেন সিলেটটুডেকে জানান, তিনি মাত্রই অফিসার ইনচার্জ পদে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। তিনি এই মামলা সম্পর্কে খোঁজখবর নেবেন। এছাড়া অন্যায়ভাবে মামলায় কাউকে আসামি করা হলে তা তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন। হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, মামলার ঘটনা সম্পর্কে আমি অবগত নই। তবে মামলায় যেদিনের ঘটনা উল্লেখ করা হয়েছে সেদিন আমাদের বেশ কয়েকজন সহকর্মী দুর্বৃত্তের হামলায় আহত হয়েছিলেন, আমি ও সিনিয়র সাংবাদিকরা আহতদের সাথে হাসপাতালে ছিলাম। ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে কেউ উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আমাকে মামলায় আসামি করে থাকতে পারেন।

মামলার ব্যাপারে খবর নিতে বাদী আব্দুল মতিনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

পেশাদার সাংবাদিক জাহিদুল ইসলাম জাতীয় দৈনিক ভোরের কাগজের সিলেট অফিসে কাজ করতেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময় দৈনিক যুগভেরি, ‍সিলেটটুডে২৪-এ কাজ করেছেন। সর্বশেষ ‍তিনি সিলেট ভয়েসের বার্তা সম্পাদক হিসেবে কর্মরত ‍ছিলেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত