২২ ফেব্রুয়ারি , ২০২৬ ২০:৩৯
পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে চার বছর আগে পর্তুগালে পাড়ি জমান কামরুল ইসলাম (৩৮)। ভবিষ্যৎ গড়ার সংগ্রামে দিনরাত পরিশ্রম করা সেই মানুষটি আর জীবিত ফিরলেন না, ফিরল তার নিথর দেহ।
পর্তুগালের মাদেইরা দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় গত ৩ ফেব্রুয়ারি কর্মস্থলে যোগ দিতে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে সিমেন্টের বস্তা মাথায় পড়ে ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান টগবগে ওই প্রবাসী যুবক। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে তার নিথর দেহ দেশে আসে।
পরে বেলা সাড়ে ১১টায় তার নিজ গ্রামে জানাযার নামাজ শেষে তাকে দাফন করা হয়।জগন্নাথপুর পৌরসভার হরিহরপুর গ্রামের আব্দুল মালিকের ছেলে কামরুল ইসলাম। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট। চার বছর আগে পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর স্বপ্ন নিয়ে পর্তুগালে পাড়ি জামান কামরুল। কথা ছিল পর্তুগালে বৈধতা পেলে দেশে আসবেন। চার বছরের অপেক্ষার পর গত ১৭ জানুয়ারি পর্তুগাল স্থায়ীভাবে বসবাসের বৈধতা পেলেও দেশ আসল তার প্রাণহীন দেহ।
কামরুলের মামা উপজেলার চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, অনেক স্বপ্ন নিয়ে কামরুল পতুর্গালে গিয়েছিল। দীর্ঘ চার পর পর্তুগাল স্থায়ীভাবে বসবাসের বৈধতা পাওয়ায় পরিবার আলোর মুখ দেখছিল। কিন্তু তাঁর এই নির্মম মৃত্যুতে পরিবারটি এখন দিশেহারা। স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
আপনার মন্তব্য