১১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৯:৩৩
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে নৈশ প্রহরীর মরদেহ উদ্ধারের এক দিন পার হলেও এখনো গ্রেপ্তার হননি আসামী।
হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের খুঁজতে শনিবার (১১ ডিসেম্বর) থেকে রোববার ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
এদিকে অপর নৈশ প্রহরী ইসহাক মিয়া ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ ইসহাক মিয়ার সন্ধান বের করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ কর্তৃপক্ষ দাবি করছে।
মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে ঘটনাস্থল এলাকার জনসাধারণের মধ্যে গ্রেপ্তারের আতংক বিরাজ করছে। অনেকেই গ্রেপ্তারের আতংকে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র রাত্রিযাপন করছেন।
শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পুলিশ স্থানীয় জগন্নাথপুর পৌর শহরের হাসিমাবাদ মৌজার জগন্নাথপুর গ্রামের যুক্তরাজ্য প্রবাসী গয়াছ আলী উরফে আবদুর নুরের মালিকানাধীন ফিসারিতে ৩ মাস যাবত পৌর এলাকার কেশবপুর গ্রামের মৃত হুসমত উল্লার পুত্র নিহত হিরন মিয়া নৈশ প্রহরীর কাজে কর্মরত ছিলেন।
যুক্তরাজ্য প্রবাসী গয়াছ আলী উরফে আবদুর নুরের মালিকানাধীন ফিসারিতে আরও ৮ জন নৈশ প্রহরীর কাজ করেছেন বলে ফিসারীর ম্যানেজার আঙ্গুর মিয়া জানান। কিন্তু শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে হিরন মিয়া (২৭) নামের ঐ নৈশ প্রহরীকে নির্মমভাবে হত্যা করে লাশ ফিসারিতে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। প্রাথমিকভাবে লাশের শরীরে ধারালো অস্ত্র রামদার আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে সন্দেহে পুলিশ স্থানীয় কেসবপুর পশ্চিম পাড়া এলাকার আঙ্গুর মিয়া (৩৭), রাজু মিয়া (৩০) ও সুবেদ আলীকে (২৬) আটক করে।
ইতিমধ্যে নিহতের ভাই আনা মিয়া বাদী হয়ে জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মুরছালিন সিলেটটুডে টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ঘটনাটির ক্লু বের করতে অপর নৈশ প্রহরী ইসহাক মিয়াকে পুলিশ খুঁজছে। ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে বলে ৩ জনকে আটকসহ ৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। তবে নিখোঁজ ইসহাক মিয়াকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।
আপনার মন্তব্য