১২ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০১:১২
সিলেট শহরতলীর টুকেরবাজারে বরযাত্রীবাহী গাড়ির গতিরোধ করে অস্ত্রের মুখে বরকে জিম্মি করে কনেকে তুলে নেওয়ার ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার বিকেলে কনের বাবা পকিল দেবনাথ বাদি হয়ে জালালাবাদ থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আখতার হোসেন জানান, মামলায় ৫জনকে আসামী করা হয়েছে। এদের মধ্যে শনিবার আটক দুইজন গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রোববার সন্ধ্যায় সিলেট মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট বিচারক মামুনুর রহমান সিদ্দিকীর আদালতের কনে শাপলা দেবনাথের জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়। পরে তাকে তার বাবার হেফাজতে দিয়ে দেয়া হয়।
প্রসঙ্গত, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তেমুখি পয়েন্টের শাফাতুল্লাহ ফিলিং স্টেশনের সামন থেকে বরযাত্রীবাহী গাড়ি থেকে অস্ত্রের মুখে কনেকে তোলে নিয়ে যায় একদল দুর্বৃত্ত। তিন ঘন্টার মাথায় রাত দশটার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামন থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এসময় আটক করা হয় দুইজনকে। জব্দ করা হয়েছে দুটি গাড়িও।
আটককৃতদের মামলায় আসামী হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তারা হচ্ছে, সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার বড়গ্রাম গ্রামের মৃত রঞ্জন নাথের ছেলে সুশান্ত দেবনাথ (৩০) ও সুনামগঞ্জের বড়পাড়া গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে রবি মিয়া (২৫)।
পুলিশ জানায়, সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের জীবনপুর গ্রামের পকিল দেবনাথের মেয়ে শাপলা দেবনাথকে (২২) শুক্রবার বিয়ে করেন দিরাইর সুতারগাঁওয়ের রবিন্দ দেবনাথের ছেলে নিখিলেস দেবনাথ (২৭)। বিয়ের পর কনেকে নিয়ে সন্ধ্যায় দিরাইর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।
সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের তেমুখি পয়েন্টে আসামাত্র সাত-আটটি মোটরসাইকেল ও একটি প্রাইভেট কারে আসা অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তরা তাদের গাড়ীর গতিরোধ করে। পরে বরকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে কনেকে উঠিয়ে নিয়ে প্রাইভেট কারে করে শহরের দিকে চলে যায়।
আপনার মন্তব্য