১৪ ডিসেম্বর, ২০১৬ ২২:০৮
প্রতীক পেয়েই আঁটঘাঁট বেঁধে প্রচারণায় নেমেছেন সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। বুধবার সকাল থেকে রাত অবদি বিভিন্ন ইউনিয়ন চষে বেড়িয়েছেন সিলেটের চার চেয়ারম্যান প্রার্থী। প্রতীক সম্বলিত লিফলেট-পোস্টার তুলে দিয়েছেন ভোটারদের হাতে।
গত সোমবার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ দেয় নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন অফিস সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান (আনারস), অধ্যাপক এনামুল হক সরদার (কাপপিরিচ), প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউদ্দিন আহমদ লালা (ঘোড়া) এবং মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (মোটরসাইকেল) প্রতীক পেয়েছেন।
এআরআগে অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা চালালেও প্রতীক পাওয়ার পর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় শুরু করেন প্রার্থীরা। সিটি করপোরেশন, ইউনিয়নে যাওয়ার পাশাপাশি ভোটারদের বাড়ি বাড়িও যাচ্ছেন তাঁরা।
আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান বুধবার সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদে যান। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি। এসময় তাঁর সাথে সাবেক সাংসদ সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, সিটি কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদসহ আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সন্ধ্যায় মির্জাজাঙ্গালে লুৎফুর রহমানের নির্বাচনী কার্যালয়ে গিয়েও দেখা যায় নেতাকর্মীদের ভিড়।
বুধবার জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মতবিনিময় করেছেন সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচনের আরেক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ ডক্টর মোহাম্মদ এনামূল হক সরদার।
এসময় তার সাথে ছিলেন জৈন্তা ডিগ্রী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ নুরুজ্জামান মণি।
মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, আমি কোন প্রার্থীদের বিরোধীতা করতে আসিনি। প্রার্থীদের প্রতি আমার কোন অভিযোগও নেই। আমাকে নির্বাচিত করা হলে সিলেটের অতীতের গৌরবোজ্জল ইতিহাস ফিরিয়ে আনবো এবং সিলেটকে একটি নিরাপদ, আধুনিক, উন্নত এবং সমৃদ্ধ করে গড়ে তুলবো।
বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেন আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী জিয়াউদ্দিন আহমদ লালা। এসময় তিনি নির্বাচিত হলে নিরাপদ, আধুনিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ সিলেট গঠন ও পূণ্যভূমি সিলেটের ঐতিহ্য পুন:প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বুধবার নগরীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোড়া প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করে ওই প্রতিশ্রতি দেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষনা করেন।
প্রচারণা চালিয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামও।
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ ডিসেম্বর জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১৫টি ওয়ার্ডের ১ হাজার ৪৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
আপনার মন্তব্য