১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৮:৪৮
হালের বলদ নেই, ট্রাক্টর দিয়ে চাষ করারও সামর্থ্যও নেই- তাই নিজের কাঁধেই জোয়াল নিয়ে ভাতিজার সহযোগিতা জমি চাষ করতেন পবিত্র দাস (৬৫)। পবিত্র দাসের বাড়ি হাকালুকি হাওর তীরের কুলাউড়ার ভুকশিমইল ইউনিয়নের বড়দল গ্রামে।
জমি চাষ না করলে না খেয়ে থাকতে হবে। তাই বাধ্য হয়েই কাঁধেই জোয়াল নিয়ে জমি চাষে নামতে হতো পবিত্র দাসকে।
অবশেষে শনিবার এই অভাব ঘুচলো পবিত্র দাসের। তাকে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর শনিবার পবিত্র দাসকে হালচাষের একটি ট্রাক্টর প্রদান করে কোহিনুর ক্যামিকেল কোম্পানির(বিডি) লিমিটেড। ফলে আর কাঁধে নিয়ে জোয়াল চানতে হবে না পবিত্র দাসকে।
কোহিনুর ক্যামিকেল কোম্পানির(বিডি) লিমিটেড এর ভাইস প্রেসিডেন্ট গোলাম কিবরিয়া সরকার বলেন,সামাজিক দায়াবদ্ধতা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পবিত্র দাশ ও তার ভাতিজা শান্ত দাসের হাতে ট্রাক্টরটি প্রদান করে কোহিনুর ক্যামিকেল কোম্পানির(বিডি) লিমিটেড।
শনিবার ট্রাক্টরটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন কোম্পানীর মৌলভীবাজারের আরএমও নুরুল আমিন খাঁন ও শ্রীমঙ্গলের ডিএসও আসাদ আলী। এসময় উপস্থিত ছিলেন কারিতাস আলোঘর প্রকল্পের সিলেট আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক পিউস নানোয়ার, কুলাউড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ও যুগান্তর প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম, আইপিডিএস এর এইচআরও জয়ন্ত লরেন্স রাকসাম, কুলাউড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমেদ, ইউপি সদস্য আব্দুল মালিক, শ্রমিক নেতা শামছুল ইসলাম শামীম প্রমুখ।
নিজের অনুভুতি প্রকাশ করতে গিয়ে পবিত্র দাশ বলেন, আমি কৃতজ্ঞ। কৃতজ্ঞতা জানানোর ভাষা আমার জানা নেই। এই গাড়ি দিয়ে এখন কৃষিকাজ করে নিজের ও সংসার স্বাচ্ছন্দ্যভাবে চালাতে পারবো।
আপনার মন্তব্য