সিলেটটুডে ডেস্ক

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৬ ২১:২২

‘বনকে পার্কে পরিণত করায় বন তার বৈচিত্র্য হারাতে বসেছে’

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী এডভোকেট সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, যে কাজ করলে বন স্বরূপে ফিরে আসবে সে কাজ আমরা করবো। বনের ক্ষতি করে দেশের কল্যাণ বয়ে আনা সম্ভব নয়। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের অন্যতম একটি বন। কিন্তু এই বন আজ বিপন্ন হতে চলেছে। এজন্য বন বিভাগের কিছু ত্রুটি রয়েছে। বন রক্ষায় ও বন সৃজনে সকলের সম্মিলিত প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের হারিয়ে যাওয়া বনকে আবারো ফিরিয়ে আনতে হবে।

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)-এর উদ্যোগে সিলেট বিভাগীয় বন বিভাগের বন বিষয়ে কর্ম-কৌশল নির্ধারণী সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) সিলেট নগরীর আম্বরখানাস্থ একটি অভিজাত হোটেলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সিলেটের বিভাগীয় সমন্বয়ক শাহ সাহেদা আখতার।

এছাড়াও সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট এমাদ উল্লাহ শহিদুল ইসলাম, কমলগঞ্জের খাসিয়া মন্ত্রী জিডিশন প্রধান সূচিয়াং, বেলার কর্মকর্তা এ এম এম মামুন, রিসার্চ অফিসার নিরোপম দে, একাউন্ট অফিসার মো. আজাদ মিয়া, আইডিয়ার নির্বাহী পাবলিক অফিসার নজমূল হক, শাবিপ্রবির বন ও পরিবেশ বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সেলিম রেজা, আবেদীন নোবেল, পরিবেশকর্মী আশরাফুল কবীর, সাংবাদিক দোহ চৌধুরী।

এই সভায় শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন গ্রামের ভিলেজ কনজারভেশন ফোরাম (ভিসিএস) এর সদস্য, সাংবাদিক, এনজিও কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বক্তারা বলেন, লাউয়াছড়া বনের অবস্থা খুবই নাজুক। বনদস্যুদের অপতৎপরতায় বন তার ঐতিহ্য হারিয়েছে। পর্যটকদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় লাউয়াছড়া বনে বন্যপ্রাণীর জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এজন্য জীববৈচিত্রের কথা চিন্তা করে পর্যটকদের সংখ্যা সীমিত করা উচিত। বনকে পার্কে পরিণত করায় বন তার বৈচিত্র্য হারাতে বসেছে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত