২৪ ডিসেম্বর, ২০১৬ ১৮:১২
২৮ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিলেট জেলা পরিষদ নির্বাচন। আসন্ন এ নির্বাচনের সময় যত ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের দৌঁড়ঝাপ ততই বাড়ছে। নির্বাচনের আর মাত্র ৪ দিন বাকী। তাই শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা।
জেলা পরিষদ নির্বাচনে বিশ্বনাথ ৯ নং ওয়ার্ডে ১০৭জন ভোটার রয়েছেন। এর মধ্যে দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শফিক উদ্দিন আহমদ ও ইউপি সদস্য সাইস্থা মিয়া এবং দেওকলস ইউনিয়নের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আছারুন বেগম প্রবাসে থাকায় ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০৪ টি তে। আর ওই ১০৪ ভোটের বিপরীতে প্রথমবারের মতো এ নির্বাচনে লড়ছেন ৮ জন সাধারণ সদস্য প্রার্থী।
ওই ৮ জনের মধ্যে দু’জন সাংবাদিকও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং তারা দু’জনেই বিশ্বনাথের দু’টি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। অন্য ৬ প্রার্থীর মধ্যে আ’লীগের ৩ জন, বিএনপির ২ জন এবং জাতীয় পার্টির একজন প্রার্থী রয়েছেন।
সাংবাদিক দু’জনের একজন হলেন, পাক্ষিক বিশ্বনাথ বার্তার সম্পাদক ও নতুনবাজারস্থ বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোসাদ্দিক হোসেন সাজুল (টিউবওয়েল প্রতীক)। আর অন্যজন পুরনো বাজারস্থ বিশ্বনাথ প্রেসক্লাব (অপরাংশ) সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক উত্তরপূর্ব পত্রিকার প্রতিনিধি প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপু (ঘুড়ি প্রতীক)। তবে জয়ের ব্যাপারে প্রতিদ্বন্ধিতার মাঠে তারা দু’জনই আত্মবিশ্বাসী।
আলহাজ্ব মোসাদ্দিক হোসেন সাজুল বিজয় সুনিশ্চিত দাবি করে বলেন, সাংবাদিকতার মাধ্যমে আমি নিজেকে জনসেবায় নিয়োজিত রেখেছি। সমাজের অবহেলিত মানুষের উন্নয়নে কাজ করায় নির্দলীয় এ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া পাচ্ছি। এরই মধ্যে বেশ ক’জন ইউপি সদস্য, প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ প্রচারণায় মাঠে নেমেছন।
প্রনঞ্জয় বৈদ্য অপুও একইভাবে বিজয় সুনিশ্চিত দাবি করেছেন। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের উন্নয়নে কাজ করেছি বলেই সর্বমহলের ভোটারদের সাড়া পাচ্ছি। প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ ও অনেক ভোটাররা আমার বিজয়ের জন্যে প্রচারণায় মাঠে রয়েছেন।
আপনার মন্তব্য